আলমডাঙ্গার শালিকায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা অনুষ্ঠিত
আধুনিকতার ছোঁয়া ও সময়ের পরিক্রমায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। একসময়ের গ্রামীণ মানুষের জনপ্রিয় বিনোদন মাধ্যমগুলো এখন আর সচরাচর দেখা যায় না। তবে সেই হারানো ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার আসমানখালি শালিকায় আয়োজন করা হয়েছে ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা।
গত বুধবার বিকেলে আসমানখালি শালিকা মাঠে এই আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। খেলায় আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা একাধিক লাঠিয়াল দল অংশ নেয়। তাদের নৈপুণ্য, কারকৌশল ও শারীরিক কসরতে পুরো মাঠের পরিবেশ হয়ে ওঠে প্রাণোচ্ছ্বল ও উৎসবমুখর।
বিকেল গড়াতেই খেলাটি উপভোগ করতে মাঠের চারপাশে ভিড় জমান বিভিন্ন বয়সের মানুষ। শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের পাশাপাশি বয়োজ্যেষ্ঠরাও এই গ্রামীণ ঐতিহ্য উপভোগ করেন। লাঠিয়ালদের নান্দনিক কসরত ও ক্রীড়াশৈলী উপস্থিত দর্শকদের দারুণভাবে বিমোহিত করে।
প্রাসঙ্গিক সংবাদ
- আলমডাঙ্গার চিৎলায় বিএনপি নেতা শহিদুল মালিথার স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত
- চুয়াডাঙ্গায় হত্যা ও মাদক মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
- আলমডাঙ্গার হাটবোয়ালিয়ায় সাংবাদিক মুর্শিদ কলিনের জন্মদিন উদ্যাপন
- আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি বোরহানসহ গ্রেপ্তার ৪, ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার
- আলমডাঙ্গার বেলগাছি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কুশল বিনিময় করেন এমপি অ্যাড. রাসেল
আয়োজকদের মতে, গ্রামীণ এসব ঐতিহ্য কেবল বিনোদনের উৎস নয়, বরং এটি সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ও সামাজিক মেলবন্ধনের প্রতীক। অতীতে বিভিন্ন উৎসব বা বিশেষ দিনে এ ধরনের আয়োজন গ্রামের মানুষের আনন্দের প্রধান খোরাক ছিল। বর্তমান সময়ে এই সংস্কৃতির চর্চা কমে গেলেও আসমানখালি শালিকার এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে আসমানখালি শালিকার এই আয়োজনটি এক মিলনমেলায় রূপ নেয়। সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে পুরো এলাকায় তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। গ্রামবাংলার প্রাচীন এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে এবং নতুন প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করতে এমন টুর্নামেন্ট নিয়মিত আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











