সিরাজগঞ্জে ড্রাগন চাষে বাম্পার ফলন পাচ্ছেন কৃষকরা, ঝুঁকছেন অন্যরাও
সিরাজগঞ্জে অর্থকরী ফসল ড্রাগন চাষে ব্যাপক সাফল্য দেখা যাচ্ছে। জেলার উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ, কাজিপুর এবং সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পাশাপাশি চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে এই ফলের আবাদ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবার ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে ন্যায্য মূল্য মেলায় খুশি স্থানীয় চাষিরা।
স্থানীয় চাষিদের সূত্রে জানা যায়, ড্রাগন চাষের শুরুতে প্রতি ২ গজ দূরত্বে সিমেন্টের খুঁটি এবং জিআই তারের সাহায্যে একটি বিশেষ কাঠামো তৈরি করতে হয়। এরপর এই কাঠামোর চারপাশে ফলের চারা রোপণ করা হয়। চারা রোপণের প্রায় ৬ মাসের মাথায় গাছে সূর্যমুখী ফুলের মতো চমৎকার ফুল ফোটে, যা দেখতে স্থানীয়রা বাগানে ভিড় জমান। এই ফুল থেকেই পরবর্তীতে ড্রাগন ফল উৎপাদিত হয় এবং একটি কাঠামো থেকে টানা ৬ থেকে ৭ বছর ফল পাওয়া সম্ভব। চাষিরা জানান, স্বল্প খরচে অধিক লাভজনক হওয়ায় এই চাষে বাম্পার ফলন এসেছে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার অনেক কৃষক জানান, এবার অনেকেই তাদের জমিতে 'বাউ-৩' জাতের ড্রাগন চাষ করেছেন। গত বছরের তুলনায় এবার এ চাষে বাগানে ফলন অনেক বেশি হয়েছে।
স্থানীয় পাইকারদের কাছে প্রতি কেজি গড়ে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ।
এলাকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝেও ড্রাগন চাষে আগ্রহ বাড়ছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা নিয়ে অনেকেই নতুন করে ড্রাগন বাগান তৈরিতে মনোযোগী হচ্ছেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক একেএম মঞ্জুরে মাওলা জানান, এবার জেলায় ড্রাগন ফলের বাম্পার ফলন হয়েছে। এটি একটি অত্যন্ত লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষকদের মাঝে চাষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগ থেকে চাষিদের সব ধরনের কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভালো বাজারমূল্যের কারণে অনেক চাষি ইতিমধ্যে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











