ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতো জনগণ আবারও জবাব দেবে: বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রী
শিল্পকারখানায় হামলা, ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলাকারীদের সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের অর্থনীতি ও উৎপাদন খাত ক্ষতিগ্রস্ত করার সব ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া হবে। ২০২৪ সালের মতোই এ দেশের মানুষ ও শ্রমিক সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে এসব চক্রান্তের উপযুক্ত জবাব দেবে।
বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর ২০২৬) দুপুরে বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতে যাওয়ার পথে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের কাটাখালী মোড়ে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
পথসভায় প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিগত ১৫-১৬ বছর যারা মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল এবং বিদেশে অর্থ পাচার করেছিল, তারা ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এখন তারা সীমান্তের ওপার থেকে কলকাঠি নেড়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে এবং দেশের সম্পদ মিল-কারখানা ধ্বংস করতে চাইছে। শিল্পকারখানা নষ্ট হলে খেটে খাওয়া মানুষ ও শ্রমিকদের সন্তানরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে উল্লেখ করে তিনি সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
প্রাসঙ্গিক সংবাদ
- সুন্দরবন সংলগ্ন অবৈধ ১৮ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের
- বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ৫
- বাগেরহাটে বন্ধ ঘর থেকে সাবেক ইউপি সদস্যের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
- আওয়ামী লীগ আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে: আইনমন্ত্রী
- বাগেরহাটের কচুয়ায় নিজ ঘর থেকে একই পরিবারের তিনজনের গলিত মরদেহ উদ্ধার
শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং তারা কাজ শুরু করেছে। আগামী দুই-এক মাসের মধ্যে শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি নির্ধারণ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্প পুনরুজ্জীবনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, একসময় খুলনা অঞ্চলের বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো চালুর পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে কাজ করছে সরকার। লক্ষ্য একটাই—তরুণ ও যুবসমাজের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। খুলনা, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গাসহ উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্প বিপ্লব ঘটানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
এর আগে সকালে মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন’ (সিআরসিসি)-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। কাটাখালীর পথসভা শেষে তিনি হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন এবং পরবর্তীতে খুলনায় 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











