সুন্দরবন সংলগ্ন অবৈধ ১৮ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের
সুন্দরবনের পরিবেশগত সংকট ঠেকাতে সীমানা সংলগ্ন স্থানে গড়ে ওঠা ১৮টি অনুমোদনহীন রিসোর্টের সমস্ত কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে পরিবেশবিধ্বংসী এসব স্থাপনা সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট মালিকদের সতর্ক করা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর রশীদ গত ৪ অক্টোবর (রোববার) রিসোর্ট মালিকদের এই চূড়ান্ত চিঠি পাঠান।
স্থাপনা অপসারণে বেঁধে দেওয়া সময়সীমা
প্রাসঙ্গিক সংবাদ
- বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ৫
- বাগেরহাটে বন্ধ ঘর থেকে সাবেক ইউপি সদস্যের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
- আওয়ামী লীগ আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে: আইনমন্ত্রী
- বাগেরহাটের কচুয়ায় নিজ ঘর থেকে একই পরিবারের তিনজনের গলিত মরদেহ উদ্ধার
- বাগেরহাটে রাতে বাড়ি ফেরার পথে আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যা
চিঠি অনুযায়ী, তালিকায় থাকা ১০টি রিসোর্টকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এবং নতুনভাবে নির্মিত ৮টি রিসোর্টকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নিজস্ব স্থাপনা অপসারণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশ পাওয়া রিসোর্টগুলো হলো— অরণ্যছায়া, অরণ্যবাড়ী, কেওড়াবন, মায়াবন, গহন, দ্য ফরেস্ট রিট্রিট, নিকুঞ্জ ভ্যালি, লা সিলভা কটেজ, বনবিবি, সুন্দরী, ইরাবতী, বনমালী, গোলকানন, পিয়ালী, ম্যানগ্রোভ, জঙ্গলবাড়ী, বনবাস ও বনলতা ইকো কটেজ।
আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি
সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর রশীদ জানান, সুন্দরবনের অতিসংবেদনশীল ঢাংমারী, কৈলাসগঞ্জ ও বাণিশান্তা এলাকায় নিয়মবহির্ভূতভাবে এসব কটেজ ও রিসোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছিল। প্রশাসনিক দিক থেকে স্থানগুলো খুলনা জেলা কার্যালয়ের আওতাধীন হওয়ায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে নির্দেশ অমান্য করলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এর আগে অনুমোদনহীন ১০টি রিসোর্টকে শোকজ করা হলে তারা লিখিত জবাবে বৈধতার আবেদন করে। তবে পর্যালোচনায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না পাওয়ায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর তাদের আবেদন বাতিল করা হয়। পাশাপাশি নতুন ৮টি রিসোর্টকে স্থানান্তরের জন্য ৭ দিনের সময় দিলেও কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়ায় এবার বন্ধ ও অপসারণের চূড়ান্ত নির্দেশ জারি করা হলো। তবে বাগেরহাটের মোংলা এলাকার চিলা, বৈদ্যমারী ও চাঁদপাই অংশে থাকা রিসোর্টগুলোর বিষয়ে নিজস্ব দপ্তরে তথ্য নেই বলে জানান এই কর্মকর্তা।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











