চাঁদনী’র ৩৫ বছর পূর্তিতে নাঈম: ‘প্রথম দিনের স্মৃতি এখনো চোখে ভাসে’
ঢালিউডের জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল জুটি নাঈম-শাবনাজের প্রথম চলচ্চিত্র ‘চাঁদনী’ মুক্তির ৩৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। ১৯৯১ সালের ৪ অক্টোবর প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এহতেশামের পরিচালনায় সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল। মুক্তির পরপরই তা সারাদেশের সিনেমা হলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।
প্রথম ছবিতেই সাফল্য পাওয়ার পর নাঈম-শাবনাজ জুটি বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তাঁদের অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ফুল আর কাঁটা’, ‘জিদ’, ‘লাভ’, ‘দিল’ এবং ‘টাকার অহংকার’।
সিনেমাটির ৩৫ বছর পূর্তির এই বিশেষ দিনে প্রাথমিক পর্যায়ের নানা অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করেছেন অভিনেতা নাঈম। তিনি জানান, পরিচালক এহতেশামের সঙ্গে তাঁদের পারিবারিক যোগাযোগ ছিল। একদিন দেখার পর তিনিই প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে শাবনাজের বাসায় গিয়ে তাঁকেও নায়িকা হিসেবে চূড়ান্ত করেন। চিত্রগ্রহণের আগেই গানগুলো ধারণ করা হয়েছিল এবং জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে সিনেমার মহরত সম্পন্ন হয়।
চিত্রগ্রহণের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে নাঈম বলেন, ছবিটির শুভ মহরত ও প্রথম দিনের শুটিংয়ের স্মৃতি তিনি কখনো ভুলবেন না। ঢাকার বারিধারায় প্রথম দৃশ্য ধারণের পর সিলেটের জাফলংয়ে আউটডোর শুটিং করা হয়। যে বাড়িতে তারা অবস্থান করছিলেন, সেখানে তখন বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। ফলে রাতের শুটিং সম্পন্ন করা হতো হ্যাজাক বাতি জ্বালিয়ে। এছাড়া জাফলংয়ের ওই বাড়ির পুকুরে জোঁক থাকার ভয়ে তিনি গোসল করতে নামতেন না বলেও এক মজার অভিজ্ঞতার কথা জানান।
সিনেমা মুক্তির আগের রাতের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে নাঈম জানান, ছবি মুক্তির আগের রাতে ঢাকা শহরের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে ব্যানার ও পোস্টার ঠিকভাবে লাগানো হয়েছে কি না, তা দেখতে ভোররাত চারটা পর্যন্ত তাঁরা শহরের রাস্তায় ঘুরে বেরিয়েছেন। একই সঙ্গে সিনেমা মুক্তির সাফল্য কামনায় কলাকুশলীদের একটি দল সিলেটের হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার জিয়ারতে গিয়েছিলেন।
দীর্ঘ সাড়ে তিন দশক পেরিয়েও দর্শকেরা ‘চাঁদনী’ সিনেমাটি মনে রেখেছেন এবং ভালোবাসেন—এটিকে নিজের অভিনয় জীবনের অন্যতম বড় অর্জন বলে গণ্য করেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











