দুবাইয়ের তাপদাহে শরীর মানাতে কেন খালি পায়ে হাঁটেন এবাদত?

০৫ অক্টোবর ২০২৬ - ২০:৪৯
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
দুবাইয়ের তাপদাহে শরীর মানাতে কেন খালি পায়ে হাঁটেন এবাদত?
ছবি সংগৃহীত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কন্ডিশনে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্টে মাঠে নামার আগে মরুর বুকের তীব্র গরমই বাংলাদেশ দলের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে পেস বোলারদের জন্য এমন আবহাওয়ায় নিজেদের মানিয়ে নেওয়া বেশ কঠিন। তবে এই পরিস্থিতিতে শরীর ও মনকে তৈরি করতে এক ব্যতিক্রমী কৌশল বেছে নিয়েছেন জাতীয় দলের ডানহাতি পেসার এবাদত হোসেন।

​বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রকাশিত এক ভিডিওতে এবাদত জানান, দুবাইয়ের প্রচণ্ড গরমে নিজেকে সতেজ রাখতে এবং পানিশূন্যতা এড়াতে অন্তত দুই দিন আগে থেকেই বিশেষ তরল খাদ্য গ্রহণ শুরু করেন তিনি। তাঁর কথায়, “দুবাই কিংবা আরব আমিরাতে এলে প্রচণ্ড গরম থাকে। তাই ম্যাচের দুই দিন আগে থেকে হাইড্রেটেড থাকার প্রস্তুতি নিই। প্রচুর পানি, ফলমূল ও ডাবের পানি পান করে শরীরে তরলের মাত্রা ঠিক রাখি।”

​হাইড্রেটেড থাকা ও আগাম প্রস্তুতি

দীর্ঘ সময় টানা বোলিং করা পেসারদের জন্য মরুর গরমে অত্যন্ত ধকলের বিষয়। এ প্রসঙ্গে এবাদত মনে করেন, শুধু ম্যাচের দিন নয়, প্রস্তুতি পর্ব থেকেই অভ্যস্ত হওয়া জরুরি। তিনি বলেন, “গরমে দীর্ঘ সময় বোলিং করা বেশ কঠিন। এটি মূলত শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতির বিষয়। বিশেষ করে টেস্ট ম্যাচ ও এই ধরনের কন্ডিশনে আমি দুই দিন আগে থেকেই নিজের ম্যাচ প্রিপারেশন শুরু করি।”

​তরুণ ক্রিকেটারদের প্রতি পরামর্শ

অভিজ্ঞ এই পেসার মনে করেন, দেশে থাকতেই আরব আমিরাতের আবহাওয়া ও তাপমাত্রা সম্পর্কে ধারণা রাখা দরকার। নতুন ও তরুণ ক্রিকেটারদের উদ্দেশ্যে তিনি পরামর্শ দেন, “অনূর্ধ্ব-১৯ কিংবা ইমার্জিং টিম যখন এখানে আসবে, তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো হয় আগে থেকেই এখানকার কন্ডিশন সম্পর্কে জেনে নেওয়া। শুনেছি জুন-জুলাইয়ে এখানকার তাপমাত্রা ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠে, যা বাংলাদেশ থেকে আসা ক্রিকেটারদের জন্য বেশ কষ্টকর। তাই তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা রাখা উচিত।”

​ঘাসে খালি পায়ে হাঁটার নেপথ্য কারণ

মরুর পরিবেশের সঙ্গে শরীরকে দ্রুত মানিয়ে নিতে এবাদতের একটি অনন্য নিজস্ব অভ্যাস রয়েছে। দুবাই পৌঁছে অনুশীলনের প্রথম দিনেই মাঠে খালি পায়ে সময় কাটান তিনি। এই কৌশল ব্যাখ্য করে এবাদত বলেন, “এখানে আসার পর প্রথম অনুশীলনের দিন এক ঘণ্টা মাঠের ঘাসে খালি পায়ে হেঁটে বেড়াই। এতে করে মানবদেহের সঙ্গে মাঠ ও প্রকৃতির ইলেকট্রিসিটি ও প্রাকৃতিক কানেকশন তৈরি হয়, যা শরীরকে এই নতুন আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করে।”

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0