সাইবার বুলিং ও অপতথ্য প্রতিরোধে কঠোর হচ্ছে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা

২১ জুলাই ২০২৬ - ১৪:৩৫
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
সাইবার বুলিং ও অপতথ্য প্রতিরোধে কঠোর হচ্ছে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। ছবি:সংগৃহীত

ভুল তথ্য, অপপ্রচার ও সামাজিক মাধ্যমে বানানো ভিডিও ছড়িয়ে সাধারণ ও সম্মানিত ব্যক্তিদের বিভ্রান্ত করা প্রতিরোধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। এই ধরনের সাইবার বুলিং ও অপতথ্য বন্ধে সরকার বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে।

​মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্যের কথা জানান তিনি। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

​তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ডিজিটাল মাধ্যমে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অনাকাঙ্ক্ষিত সাইবার হেয় প্রতিপন্ন করার ঘটনা বাড়ছে। নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়া সরকারের নৈতিক দায়িত্ব, তাই প্রচলিত আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সরকার গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনাকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবে না বলেও তিনি স্পষ্ট জানান।

​তিনি আরও জানান, দেশত্যাগের সময় কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা হিসেবে মামলা করা হবে। মন্ত্রিসভা বা উপদেষ্টা পরিষদের কার্যকারিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কাজের পারফরম্যান্স অনুযায়ী এতে পরিবর্তন আনা একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, যা প্রধানমন্ত্রী পরিচালনা করতে পারেন।

​দেশের জ্বালানি খাতের বিষয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান মন্তব্য করেন, বিগত সময়ে কিছু অলিগার্কের কায়েমি স্বার্থ রক্ষার কারণে নিজস্ব গ্যাস উত্তোলনে নজর দেওয়া হয়নি। অথচ দেশের বর্তমান মজুত গ্যাস দিয়ে আগামী ২৫ বছর পর্যন্ত জ্বালানির ঘাটতি মেটানো সম্ভব। পাশাপাশি স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ কমাতে অতিরিক্ত তিন বছর সময় চেয়েছে সরকার।

​প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য সুখবর জানিয়ে তিনি বলেন, আগস্ট মাস থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ‘প্রবাসী কার্ড’ সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম ধাপে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে ডুয়েল-কারেন্সি প্রবাসী ডেবিট কার্ড প্রদান করা হবে।

​সংবাদ সম্মেলনে মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ না দিতে পারাকে সরকারের সীমাবদ্ধতা হিসেবে মেনে নিয়ে তিনি আশ্বাস দেন, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো দ্রুতই তাদের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ পেয়ে যাবেন।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0