​জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সব বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল

১৯ জুলাই ২০২৬ - ১৫:৩৯
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
​জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সব বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে চলমান সব ধরনের বিতর্কের অবসান হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ঐতিহাসিক এই জুলাই সনদ নিয়ে একটি মহল অযথা বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

​আজ রোববার (১৯ জুলাই, ২০২৬) সকালে রাজধানীর রমনা এলাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল কর্তৃক আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ সাংবাদিক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

​আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান

​মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে যে মতভিন্নতা দেখা দিয়েছে, তা পারস্পরিক আলোচনার টেবিলেই সমাধান করতে হবে। সংকীর্ণ রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে বিরোধী দলকে দেশের চলমান সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নেওয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।

​মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উল্লেখ করেন, জুলাই গণ-আন্দোলন এ দেশে একটি নতুন এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ে তোলার অভূতপূর্ব সুযোগ তৈরি করেছে, যা যে কোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করা জরুরি। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “আমাদের গভীর আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে যে, আমরা সবাই মিলে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও ইনসাফের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব।” একই সঙ্গে বিএনপি জনগণের কাছে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলেও তিনি দাবি করেন।

​সহিংসতামুক্ত আগামী ও গণমাধ্যমের সংস্কার

​অতীতে অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, এবার আর রাজপথে নয়, বরং জাতীয় সংসদে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এমন এক টেকসই শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে দেশকে আর কোনো দিন সহিংসতার পথে পা বাড়াতে না হয়। রাজনৈতিক দলগুলোকে সব বিষয়ে কেবল বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করার নেতিবাচক মানসিকতা বর্জনের পরামর্শ দেন তিনি।

​গণমাধ্যমের বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের সংবাদমাধ্যমসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে এখনো এক ধরনের তোষামোদির সংস্কৃতি বিরাজ করছে। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে সমাজে একটি বড় ধরনের কাঠামোগত ও চিন্তাগত বিপ্লবের প্রয়োজন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, বিগত ১৬ বছরের পুঞ্জীভূত অনিয়ম ও অপকর্মের জঞ্জাল থেকে মাত্র অল্প সময়ের মধ্যে জাতিকে সম্পূর্ণ মুক্ত করা বা শোধরানো সম্ভব নয়, এর জন্য ধৈর্য ও সময়ের প্রয়োজন।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0