সিলেটেও জয়ের ধারা ধরে রাখতে আত্মবিশ্বাসী ক্যারিবীয়রা: ড্যারেন স্যামি

০২ নভেম্বর ২০২৬ - ২২:২২
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
সিলেটেও জয়ের ধারা ধরে রাখতে আত্মবিশ্বাসী ক্যারিবীয়রা: ড্যারেন স্যামি
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার পর সিলেটের মাটিতেও জয়ের মানসিকতা বজায় রাখতে চান ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেড কোচ ড্যারেন স্যামি। ঘরের মাঠে প্রথম টেস্ট ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে থাকলেও সিলেটে স্বাগতিকদের বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ ক্যারিবীয় দল। বাংলাদেশকে কোনোভাবেই হালকাভাবে না নিয়ে চলতি বছরটি জয় দিয়ে স্মরণীয় করে রাখতে বদ্ধপরকে তারা।

​টেস্ট সিরিজের প্রাক্কালে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে স্যামি জানান, বাংলাদেশে পা রাখার পর থেকেই দলের অধিনায়ক রোস্টন চেজ সবার সামনে নিজেদের লক্ষ্য পরিষ্কার করে দিয়েছেন। বছরটি জয় দিয়ে সমাপ্তি টানা তাদের দলের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

​আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চক্রে এর আগে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ জিতেছিল ক্যারিবীয়রা, তবে কোনো সিরিজ নিজেদের করে নেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের বিপক্ষে চলমান সিরিজে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর চমৎকার সুযোগ দেখছেন স্যামি। একই সঙ্গে নিজ মাটিতে প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশকে বেশ শক্ত প্রতিপক্ষ বলেই মূল্যায়ন করছেন তিনি।

​বাংলাদেশ দলের কোচ ফিল সিমন্স প্রসঙ্গে ক্যারিবীয় কোচ বলেন, ফিল সিমন্সকে যতটুকু চেনেন, তাতে তিনি প্রতিপক্ষের জন্য কাজটা সহজে ছাড়বেন না। তিনিও এই সিরিজ জিততে চান এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে তাদেরও নির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে। তবে দলের খেলোয়াড়দের মাঝে যে জেদ, ক্ষুধার তীব্রতা ও কঠোর পরিশ্রমের মানসিকতা দেখা যাচ্ছে, তাতে সিলেটে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

​ঢাকার উইকেটে স্পিনবল মোকাবেলার পেছনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে চেন্নাইয়ের বিশেষ ক্যাম্পের কথা তুলে ধরেন স্যামি। চেন্নাইয়ের সুপার কিংস একাডেমি ও শ্রী রামচন্দ্র সেন্টারে নেওয়া প্রস্তুতি দলের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানান তিনি। বিশেষ করে ব্যাটিং কোচ ফ্লয়েড রাইফার এবং হাই-পারফরম্যান্স কোচ শ্রীরাম কৃষ্ণমূর্তির তত্ত্বাবধানে ব্যাটারদের স্পিন খেলার প্রস্তুতি ঢাকায় তাদের জয় সহজ করে দিয়েছিল।

​স্যামি আরও যোগ করেন, ম্যাচে তাদের স্পিনারদের তুলনায় ক্যারিবীয় স্পিনাররা ভালো বোলিং করেছেন এবং ব্যাটাররাও স্পিন মোকাবেলায় প্রতিপক্ষের চেয়ে ভালো পারফর্ম করেছেন। বিশেষ করে চতুর্থ ইনিংসে ব্র্যান্ডন কিংয়ের অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংসটি ছিল দলের জন্য অসাধারণ এক অর্জন।

​ঢাকার মাঠে দুই ইনিংসে মোট ৯ উইকেট দখল করে ম্যাচসেরা হওয়া জোমেল ওয়ারিকান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকার করা দলনেতা রোস্টন চেজের নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেন কোচ। চেজের নেতৃত্বগুণ ও ধৈর্য দলের তরুণ ক্রিকেটারদের দারুণভাবে উদ্দীপ্ত করছে বলে জানান তিনি। প্রথম টেস্টে দুর্দান্ত জয়ের পর আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল এখন সিলেটে সিরিজ জয়ের চূড়ান্ত লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0