যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই ইরানে হামলার জন্য ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন নেতানিয়াহু

০২ নভেম্বর ২০২৬ - ১৯:১৫
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই ইরানে হামলার জন্য ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন নেতানিয়াহু
ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই ইরানে সামরিক অভিযান চালাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ প্রয়োগ করছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনই কোনো বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী নন। তিনি বরং তেহরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সংকট সমাধানের কূটনৈতিক পথ উন্মুক্ত রাখতে চান। অনলাইন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস রবিবারে ইসরায়েলি ও মার্কিন সূত্রের বরাতে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

​প্রতিবেদনে জানানো হয়, শনিবার দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়। ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান আলোচনার গতিপ্রকৃতি এবং সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ পুনরায় শুরুর সময়সীমা নিয়ে কথা হয়। ইসরায়েলি একটি সূত্র আলোচনাটিকে বেশ "কঠিন" বলে অভিহিত করেছে, আর মার্কিন সূত্রের মতে কথা হয়েছে একেবারে "সরাসরি"।

​সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নিজেও ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আলাপকে ইতিবাচক বললেও তিনি বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের বিষয়ে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ চালু রাখার পাশাপাশি নির্বাচনের পর পরিস্থিতি সাপেক্ষে সামরিক প্রস্তুতির বিষয়টিও হিসাবের মধ্যে রাখছে।

​শনিবার ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো বাসভবনে আয়োজিত হ্যালোইন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, এ মুহূর্তে হামলা চালানোর মতো কোনো তাড়াহুড়ো নেই। ইরানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচকভাবেই এগোচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ইরানও একটি চুক্তিতে আসতে আগ্রহী। তবে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ইরানের এক বা একাধিক পারমাণবিক কেন্দ্র বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে পদক্ষেপ নিতেই হতে পারে। বিশেষ করে 'পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন' পরমাণু কেন্দ্রকে ইঙ্গিত করে ট্রাম্প দাবি করেন, প্রয়োজন হলে মার্কিন বাহিনী ১০ মিনিটের মধ্যে সেখানে অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম।

​এদিকে, দ্বিপক্ষীয় আলোচনার অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ির কাছে একটি বার্তা পাঠান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। রেজায়ি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে জানান, তিনি ভ্যান্সের চিঠিটি পেয়েছেন এবং পড়েছেন, কিন্তু এখনো কোনো লিখিত উত্তর দেননি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভাষাবিন্যাস ও মানসিকতায় বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0