আলমডাঙ্গায় নিখোঁজের দুই দিন পর মাথাভাঙ্গা নদী থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় নিখোঁজের দুই দিন পর মাথাভাঙ্গা নদী থেকে হায়দার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের ভেসে ওঠা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার মাধবীতলা ও কমলাপুর সংলগ্ন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের পোশাক ও শরীরের চিহ্ন দেখে স্বজনেরা পরিচয় নিশ্চিত করেন।
নিহত হায়দার আলী আলমডাঙ্গা উপজেলার রংপুর স্কুলপাড়ার মৃত খোদাবক্সের ছেলে। তিনি গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
নদীতে গোসল করতে গিয়ে মরদেহের সন্ধান
প্রাসঙ্গিক সংবাদ
- চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের মিলেছে পরিচয়
- চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ভাসমান মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে পিবিআই
- চুয়াডাঙ্গায় ‘মানবতার যুব সমাজ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
- চুয়াডাঙ্গায় মেয়ের বাড়ি এসে সড়ক দুর্ঘটনায় নারীর মৃত্যু
- ভারতে যাওয়ার পথে দর্শনায় আওয়ামী লীগ নেতা এমএ খালেক আটক
স্থানীয়রা জানান, সোমবার দুপুরে কয়েকজন লোক মাথাভাঙ্গা নদীতে গোসল করতে গিয়ে ঝোপঝাড়ের মধ্যে একটি ভাসমান মরদেহ দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি প্রতিনিধিদল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
পোশাক ও চিহ্ন দেখে পরিচয় শনাক্ত
পরবর্তী সময়ে নিখোঁজ সংবাদ পেয়ে নিহতের স্বজনেরা ঘটনাস্থলে আসেন। নিহতের মেয়ে নাজমা খাতুন পরিধেয় লুঙ্গি, গেঞ্জি ও কোমরের সুতা (তাগা) দেখে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি তাঁর বাবা হায়দার আলীর বলে শনাক্ত করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, হায়দার আলী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলেন এবং একা চলাফেরা করতে সমস্যা হতো। শনিবার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তিনি বাড়িতে গোসল ও খাওয়া শেষ করে হাঁটার উদ্দেশ্যে বের হন। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি ও মাইকিং করেও তাঁর সন্ধান পাননি।
আইনি প্রক্রিয়া ও পুলিশের বক্তব্য
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম জানান, নদী থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা পরিচয় নিশ্চিত করেন।
তিনি আরও জানান, মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধানে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











