আলমডাঙ্গায় ১১ মামলার আসামীসহ দুইজন গ্রেপ্তার, সামারী ট্রায়ালে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

০৪ নভেম্বর ২০২৬ - ২১:২০
প্রকাশিত: ৪৮ মিনিট আগে
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
আলমডাঙ্গায় ১১ মামলার আসামীসহ দুইজন গ্রেপ্তার, সামারী ট্রায়ালে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড
ছবি সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান জোরদার করেছে থানা পুলিশ। পৃথক দুটি অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে মাদক ও অন্যান্য অপরাধে একাধিক মামলার এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ১১টি মামলা ও জিডি রয়েছে।

​পুলিশের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলামের সার্বিক দিকনির্দেশনায় গত ৩ নভেম্বর রাতে উপজেলার বলিয়ারপুর গ্রামে অভিযান চালানো হয়। রাত ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে ঘোলদাড়ী পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. গোলাম হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল বলিয়ারপুর জোয়ার্দ্দারপাড়ার টাক মোড় এলাকার একটি বটগাছের নিচে অভিযান চালায়। এ সময় জাহিদুল ইসলামের ছেলে জিসান আলীকে (২১) আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে এক পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

​এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সামারী ট্রায়াল প্রসিকিউশন দাখিল করা হলে ৪ নভেম্বর বিজ্ঞ আদালত আসামি জিসান আলীকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

​এদিকে, একই রাতে অপর এক অভিযানে আরেকটি মামলার পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ৩ নভেম্বর রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার ডামোস অটোমিলের সামনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আলমডাঙ্গা থানার এসআই এসএম নিয়ামুল হক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে মিজানুর মালিথা ওরফে লিজু মালিথা (৫৬) নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেন। পুলিশ জানায়, তিনি গত ১৮ অক্টোবর আলমডাঙ্গা থানায় দায়ের হওয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। ৪ নভেম্বর তাকে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করা হয়।

​আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং মাদকের বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, পুলিশের এই জোরালো পদক্ষেপে এলাকায় অপরাধপ্রবণতা ও মাদকের দৌরাত্ম্য অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0