বোটক্লাব ভাঙচুর ও মারধর মামলা: চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আলোচিত বোটক্লাব ভাঙচুর, ক্লাবের সভাপতি ও ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদকে মারধর, হত্যাচেষ্টা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এ আদেশ দেওয়া হয়।
বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রাহমান এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৬ জুলাই ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় পরীমনি ছাড়াও তার দুই সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমিকে আসামি করা হয়েছে। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি মামলাটিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ওইদিন পরীমনি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তখনো তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল, যেখান থেকে পরবর্তীতে তিনি জামিন নিয়েছিলেন।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২১ সালের ৮ জুন রাত সাড়ে ১২টার পর আসামিরা সাভারের বোট ক্লাবে প্রবেশ করেন এবং সেখানে মদপান করেন। এ সময় ক্লাবের সভাপতি নাসির উদ্দিনকে নানাভাবে আকৃষ্ট করার চেষ্টা ও বিনামূল্যে মদের বোতল দাবি করেন আসামিরা। ক্লাব কতৃপক্ষ তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পরীমনি ও তার সঙ্গীরা ক্লাব ভাঙচুর চালান।
এরপর রাত সোয়া ১টার দিকে বাদী নাসির উদ্দিন ক্লাব ত্যাগ করার সময় পরীমনি তাকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ডাকেন এবং অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে একটি ব্লু লেবেল মদের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য চাপ দেন। বাদী এতে রাজি না হলে পরীমনি তাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির জেরে পরীমনি বাদীর দিকে একটি সার্ভিং গ্লাস ও হাতে থাকা মোবাইল ফোন ছুড়ে মারেন, যার আঘাতে নাসির উদ্দিন মাথা ও বুকে আঘাত পান।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালের ১৪ জুন ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তার এক বন্ধুর বিরুদ্ধে সাভার থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন পরীমনি। পাশাপাশি সেই সময় পরীমনির বিরুদ্ধেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











