ঢাকায় ভারত-পাকিস্তান ফুটবল মহারণ: মাঠে কী হবে করমর্দন? মিলল উত্তর
ক্রিকেট মাঠে ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ মানেই চিরন্তন উত্তেজনা এবং করমর্দন এড়িয়ে যাওয়ার পরিচিত দৃশ্য। তবে ফুটবলের মঞ্চে সেই ছায়া পড়ছে না। ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে দুই দলের প্রতিনিধিরাই স্পষ্ট জানিয়েছেন, মাঠের লড়াই শুধু বলের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে, ব্যক্তিগত বা মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব সেখানে তৈরি করবে না।
ম্যাচ শেষে বা আগে প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত মেলানো কিংবা জার্সি বদলের মতো সাধারণ সৌজন্যতা বজায় থাকবে কি না—এমন প্রশ্নে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি ভারতের অধিনায়ক নাথান রদ্রিগেজ। তার মতে, বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত ভাবার কিছু নেই। এ সময় ভারতীয় দলের কোচ নওশাদ মুসা আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, প্রয়োজন হলে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের জড়িয়ে ধরতেও তাদের কোনো আপত্তি নেই।
সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে কথা বলেন পাকিস্তান দলের অধিনায়ক আলমগীর গাজীও। তার অবস্থানও ছিল প্রতিবেশীদের মতোই পরিষ্কার। তিনি বলেন, ক্রিকেট ও ফুটবলের পরিবেশ সম্পূর্ণ আলাদা। ফুটবলকে সুন্দর খেলা বলা হয় এ কারণেই যে এখানে সৌহার্দ্য বজায় থাকে। প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়দের দিকে হাত বাড়াতে তিনি কোনো কুণ্ঠাবোধ করবেন না বলেও স্পষ্ট জানান।
এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় পা রাখে পাকিস্তান দল। আজ বিকেলে তাদের মাঠ অনুশীলনের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাতিল করা হয়। ফলে রাজধানীর ভেন্যুতে একবারও বল না ছুঁয়েই সরাসরি বিকেল সাড়ে তিনটায় ভারতের মোকাবিলা করতে নামবে তারা।
ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায়, ২০০৩ সালে ঢাকায় সাফের যাত্রা শুরু হয়েছিল এই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দিয়েই এবং সেবার জয় পেয়েছিল পাকিস্তান দল। দীর্ঘ সময় পর ঢাকায় আবারও সেই পুরনো স্মৃতি ফিরে এসেছে। এবারও জয়ের স্বপ্ন দেখছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক আলমগীর গাজী। পাশাপাশি বাংলাদেশি দর্শকদের গ্যালারির সমর্থন তাদের দলের জন্য বাড়তি শক্তি জোগাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











