৭৫ বছরে শাবানা: রূপালি পর্দা থেকে দূরে, পরিবার আর স্মৃতিতেই কাটছে দিন
বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি প্রচার শাবানা ৭৫ মিনিট পাকিস্তান প্লেন। দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর দর্শকের প্রেম ও শ্রদ্ধাও আজ প্রতি অটুট। এই ঘটনার জন্মদিনে প্রেমের প্রকাশ আবেগ আবেগপ্লুত দেশের পাশের সদস্য এই প্রার্থী।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি-এ পরিবারের সঙ্গে বসবাস করছেন। জন্মদিন আমাদের ঘরোয়া পরিবেশে ছেলে-মেয়ে, পুত্রবধূ এবং নাতি-নাতদের নিয়ে ছোট ছোট খেলা করা হয়। কেক কাটাই ও সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে বিশেষ দিনটি উদযাপন করেন তিনি।
যদিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি নিজে ব্যবহার করেন না, পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ভক্তদের শুভেচ্ছাবার্তা, স্মৃতিচারণ ও পুরোনো ছবি দেখান। সেসব আবেগ তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন। কষ্ট, মানুষের ভালোবাসার এই ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাই জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। মনে মনে ভিড় করে।
দিন দিন পাওয়া সবচেয়ে বড় কী—এমন মূল্যবান প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি বড় ভালোবাসা, জীবনের সবচেয়ে বড় শ্রদ্ধা। আর একমাত্র তিনি স্বাভাবিক তাঁর স্বামী ওয়াহিদ সাক-এর কাছ থেকে আসন। মজার ছলে তিনি জানান, স্বামীর হাতে আপনার ডিম পোচ তার পছন্দের একটি খাবার।
এক সময় নিউ ইয়র্ক সিটি-এ সময় নিউ জার্সিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন তিনি। ছেড়ে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের দেশের প্রতি তাঁর টান আলাপনি। সুযোগ পরিবর্তনই কয়েক নম্বর আসতে, তবে কারণ গত বছর দেশ আসা হয়েছে।
নিজের জন্মদিন নিয়ে এখন আর খুব বেশি শাবানা না। অনেক নাতি-নাতিনিদের জন্মদিন ও আনন্দঘন মুহূর্তগুলো তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের সদস্যরাই প্রতি বছর তাঁর জন্মদিনকে বিশেষ করে তোলে।
১৯৫২- এর ১৫ জুন তারিখে জন্মগ্রহণ করেন শাবানা। তাঁর আসের নাম আফরোজা রত্না। অনেক আগে থেকেই ভিডিও পাল্টে যেতে পারে এবং পরে এন্টার এশাশাম- এর হাত ধরে এগিয়ে যান।
শিশু সৈনিক হিসাবে যাত্রা শুরু করে পরে নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। প্রায় চারটি ভোটের ফলাফলে প্রায় ৩০০টি নাটকের ফলাফলের মাধ্যমে দেশটির রাজনীতিতে একটি উজ্জ্বল অবস্থান তৈরি করে। তাঁর শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ছিল রাজনৈতিক যুদ্ধ।
পেসারজীবনে আলমগীর, রাজ্জাক, ফারুক, জসীম এবং সোহেল রানা-র সঙ্গে একাধিক সক্রিয় নাগরিক তিনি বলেছেন। কর্মজীবনে অর্জন করেছেন ১০টি জাতীয় চরিত্র সহ অধিকার সম্মাননা।
আজ শানা শুধু একজন কিংবদন্তি গরনি নন, একজন স্ব্বিত মা ও নাও। পরিবার, সন্তান এবং নাতি-নাতনিদের স্বাস্থ্যই এখন তাঁর ব্যস্ততা ও আনন্দের জগৎ। দর্শকদের হৃদয়ে তিনি এখনও বাংলা চলচ্চিত্রের অবিস্মরণীয় নাম।
vidIQ
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0
মন্তব্য করুন (০)