শিক্ষাব্যবস্থায় বড় সংস্কারের ইঙ্গিত, কারিকুলামসহ ৫ খাতে পরিবর্তনের পরিকল্পনা
দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও ভবিষ্যতমুখী করতে ব্যাপক সংস্কারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, শিক্ষার গুণগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চারটি প্রধান ভিত্তির পাশাপাশি নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যুক্ত করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে শিক্ষা খাতকে আধুনিক ও দক্ষতাভিত্তিক রূপ দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত শিক্ষা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন এবং কেমব্রিজ প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা তৈরি করেছে। এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তোলা, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি করা এবং শিক্ষাকে প্রযুক্তিনির্ভর ও কর্মমুখী করে তোলা।
তিনি বলেন, নতুন পরিকল্পনায় পাঠ্যক্রম আধুনিকীকরণ, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, জলবায়ু সহনশীল শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ এবং বিভিন্ন শিক্ষাধারার মধ্যে সমন্বয়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের চাহিদা বিবেচনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।
ববি হাজ্জাজ উল্লেখ করেন, দেশে বর্তমানে বহু ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা চালু রয়েছে। এসব ব্যবস্থার শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম শিক্ষাগত মান নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, মাদ্রাসা কিংবা সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ পায়।
শিক্ষকদের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একজন দক্ষ শিক্ষক ছাড়া কোনো শিক্ষাব্যবস্থা সফল হতে পারে না। তাই দেশের শিক্ষকদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কেমব্রিজের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়েও আলোচনা চলছে।
অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ব্রিটিশ হাইকমিশন এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0
মন্তব্য করুন (০)