চুয়াডাঙ্গায় জয়রামপুর স্টেশন আধুনিকায়নে ৮ দফা দাবিতে মানববন্ধন
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ঐতিহাসিক জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনকে পুনর্বহাল, আধুনিকায়ন ও আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে ৮ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে জয়রামপুর গ্রামবাসী ও দামুড়হুদা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে স্থানীয় রেল স্টেশন প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
স্টেশন আধুনিকায়ন ও ৮ দফা দাবি
মানববন্ধনে বক্তারা জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনের অবকাঠামোগত সংস্কার ও যাত্রীসেবার মান বাড়াতে ৮টি সুস্পষ্ট দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— জয়রামপুর স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেন ‘সাগরদাঁড়ি’ ও ‘কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস’-এর বিরতি নিশ্চিত করা, স্টেশন মাস্টারসহ প্রয়োজনীয় লোকবল দ্রুত পুনর্বহাল করা এবং বন্ধ থাকা লুপ লাইন ও টিকিট বিক্রয় ব্যবস্থা চালু করা।
প্রাসঙ্গিক সংবাদ
- আলমডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত
- আলমডাঙ্গায় একাধিক মামলার আসামি শফিকুল আজম ডালিম গ্রেপ্তার
- আলমডাঙ্গায় পুকুরে গোসল করতে নেমে প্রাণ গেল ১৩ বছরের কিশোরীর
- আলমডাঙ্গায় ১১ মামলার আসামীসহ দুইজন গ্রেপ্তার, সামারী ট্রায়ালে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড
- আলমডাঙ্গায় পুলিশের অভিযানে তিন আসামী গ্রে/প্তার, ভ্রাম্যমান আদালতে একজনের কা/রা/দ/ণ্ড
এছাড়া প্ল্যাটফর্মের আধুিনকীকরণ, ব্রিটিশ আমলে নির্মিত জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত অবকাঠামো ভেঙে একই স্থাপত্য নকশায় নতুন হলঘর নির্মাণ এবং পোড়াদহ-গোয়ালন্দঘাট রুটের শাটল ট্রেনটি দর্শনা পর্যন্ত বর্ধিত করার জোর দাবি জানানো হয়। একই সাথে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা ও বগি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি দর্শনা-চুয়াডাঙ্গা রুটে চলাচলকারী সকল ট্রেনের জয়রামপুর স্টেশনে স্টপেজ নির্ধারণের আহ্বান জানান স্থানীয়রা।
রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাস ও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
কর্মসূচি চলাকালে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি থামিয়ে প্রায় ৫ মিনিট অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। পরবর্তীতে চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রকৌশলী সাইদুর রহমান আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলেন। তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা অবরোধ প্রত্যাহার করেন এবং ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
উক্ত মানববন্ধনে হাওলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আক্তার সিদ্দিকী, স্থানীয় জ্যেষ্ঠ নাগরিক পিয়ার আলী, দামুড়হুদা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মমিনুল ইসলাম, ডাবলু এবং সাবেক সেনা সদস্য লাজিব আক্তার সিদ্দিকীসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











