চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার, ব্যবহৃত গাড়ি ও মালামাল উদ্ধার

০৭ আগস্ট ২০২৬ - ২৩:১৭
প্রকাশিত: ২ মাস আগে
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার, ব্যবহৃত গাড়ি ও মালামাল উদ্ধার
জীবননগরে ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে কৃষি জমিতে সেচ কাজে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চোর চক্রের সংঘবদ্ধ ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জীবননগর থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চুরি যাওয়া ট্রান্সফরমারের কয়েল, কপারসহ নানা যন্ত্রাংশ এবং চোরাই কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি, একটি প্রাইভেটকার ও পিকআপ ভ্যান।

​শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জীবননগর থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ।

​গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— মুন্সিগঞ্জ জেলার চাসিরি এলাকার মৃত আনোয়ারের ছেলে আব্দুল মালেক (৪৫), চুয়াডাঙ্গা শহরের ফার্ম পাড়ার জাহিদ শেখের ছেলে শিপলু (২৮), বগুড়ার কাহালু থানার কাশেম খাঁর ছেলে টুলু (৪৪), চুয়াডাঙ্গা সদরের গাড়াবাড়িয়ার মৃত মজিবরের ছেলে স্বপন উদ্দিন (৩৭), একই এলাকার মিজানুরের ছেলে সবুজ সেখ (৩৭) এবং আব্দুল গফুরের ছেলে জাফর আহমেদ (৩৪)।

​পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের দক্ষিণ মাঠে সেচ কাজের নলকূপের বৈদ্যুতিক খুঁটিতে থাকা তিনটি ট্রান্সফরমার খুলে ভেতরের তামার কয়েল ও তেল চুরি করে নিয়ে যায় অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবু জাফর বিশ্বাস জানান, এতে তার আনুমানিক আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। একই দিনে পাশের অপর সেচ ব্যবসায়ী আনারুল ইসলামের একটি ট্রান্সফরমারের কয়েল ও তেল চুরি হয়। এ ঘটনায় কৃষক আবু জাফর বিশ্বাস বাদী হয়ে গত ৪ আগস্ট জীবননগর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেন।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপর মোহাম্মদ রুহুল কবির খানের দিক নির্দেশনায় পুলিশ গোপন সংবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকার খোলামোড়া মডেল টাউন এলাকা থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেন।

পরবর্তীতে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চুরিকৃত মালামাল ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে ওসি সোলায়মান শেখ জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন কৃষি এলাকায় কৃষকদের সেচ কাজের ট্রান্সফরমার লক্ষ্য করে চুরি পরিচালনা করত এবং ভেতরের দামি তামা ও যন্ত্রাংশ বিক্রি করে আসছিল।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0