অভিযোগ ছাড়াও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে পুলিশ: খুলনায় আইজিপি
চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ভয়ে কোনো ভুক্তভোগী অভিযোগ না করলেও পুলিশ নিজ উদ্যোগেই মামলা দায়ের করে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে। এই লক্ষ্য সামনে রেখে প্রয়োজনীয় নতুন আইন প্রণয়ন এবং বিদ্যমান আইন সংস্কারের বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত বিভাগীয় কমিউনিটি পুলিশিংবিষয়ক এক সুধী সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, চাঁদাবাজদের অনেকেই প্রভাবশালী ব্যক্তি ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ছত্রছায়ায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। এর ফলে সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা ভয়ে মুখ খুলতে চান না, সাক্ষ্য দিতে বা লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে সাহসী হন না। এই বাস্তব পরিস্থিতি নিরসনে এবং অপরাধীদের দমন করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পুলিশকেই সরাসরি মামলা দায়েরের এখতিয়ার দেওয়ার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই এ সংক্রান্ত নতুন আইন কার্যকর হতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রাসঙ্গিক সংবাদ
- সুন্দরবনে বিশেষ অভিযান: ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও সাতটি ওয়াকিটকিসহ বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার
- খুলনায় ছেলে খু/নের ৫০ দিনের মাথায় বাবাকে গুলি করে হ/ত্যা
- খুলনার দৌলতপুরে প্রকাশ্যে যুবককে গুলি করে হত্যা
- খুলনার রূপসায় ইটভাটায় ঢুকে যুবদল কর্মী ফখরুলকে গুলি করে হত্যা
- খুলনার দিঘলিয়াতে ট্রাকচাপায় শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু
অপরাধ দমনে পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা প্রসঙ্গে মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, কঠোর আইনি বল প্রয়োগ করতে গেলে পুলিশকে বিভিন্ন তকমা দেওয়া হয়, আবার কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে দুর্বল আখ্যা দেওয়া হয়। এ ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব থেকে বেরিয়ে এসে আইনের সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মাধ্যমে দেশে টেকসই শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
দেশের মাদক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আইজিপি জানান, সমাজ থেকে মাদক, কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং সারা দেশে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের পুনর্বার অপরাধে জড়াচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণে এনে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
কেএমপি কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমানের সভাপতিত্বে উক্ত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম এবং খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট এ কে এম মোশাররফ হোসেন মিয়াজী।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











