২৫০ শতাংশ শুল্কের হুমকিতে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামানোর দাবি ট্রাম্পের, না পাওয়ায় নোবেল নিয়ে ক্ষোভ

২৪ অক্টোবর ২০২৬ - ১৪:১৫
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
২৫০ শতাংশ শুল্কের হুমকিতে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামানোর দাবি ট্রাম্পের, না পাওয়ায় নোবেল নিয়ে ক্ষোভ

দক্ষিণ এশিয়ার দুই পারমাণবিক পরাশক্তি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সংঘাত বন্ধে নিজের কূটনৈতিক কৌশল ও বাণিজ্য নীতির ব্যবহারের কথা আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, দুই দেশের সীমান্ত উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাত রুখতে তিনি সর্বোচ্চ ২৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তবে বিশ্বশান্তিতে এমন অবদান রাখার পরও নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার বিষয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন এই নেতা।

​স্থানীয় সময় শুক্রবার ফ্লোরিডায় আয়োজিত এক রাজনৈতিক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত এই জনসভায় তিনি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন যুদ্ধ ও বৈশ্বিক সংঘাত নিরসনে নিজের ভূমিকা তুলে ধরেন।

​সমাবেশে উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্ভাব্য বিপর্যয়কর যুদ্ধ ঠেকাতে তিনি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে অন্যতম প্রধান শক্তি বা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। তিনি উভয় দেশকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি অব্যাহত রাখলে মার্কিন বাজারের সঙ্গে সমস্ত বাণিজ্যিক সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং বাণিজ্য ক্ষেত্রে ২৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন প্রশাসনের এই নজিরবিহীন কঠোর অবস্থানের কারণেই পরবর্তীতে দুই দেশ সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করতে বাধ্য হয়।

​ভাষণের একপর্যায়ে ট্রাম্প আক্ষেপ করে প্রশ্ন করেন, বিশ্বশান্তি রক্ষায় এত বড় সিদ্ধান্ত এবং ভূমিকা নেওয়ার পরও তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কি না? এরপর নিজেই উত্তর দিয়ে বলেন, এত কিছু করার পরও তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়নি।

​উল্লেখ্য, কাশ্মীরের পেহেলগামে একটি সন্ত্রাসী ঘটনার প্রেক্ষাপটে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রবল সামরিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। তবে ভারত সরকার বরাবরই ট্রাম্প বা অন্য কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। নয়াদিল্লির ভাষ্যমতে, দুই দেশের সামরিক বাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও) পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই সংঘাত থামানো এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হয়েছিল।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0