আলমডাঙ্গার ভাংবাড়ীয়ায় জাল চালানের ২২ টন সার জব্দ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযুক্তকে জরিমানা
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বিএডিসি গোডাউনের নামে বরাদ্দকৃত ২২ টন (৪৪০ বস্তা) টিএসপি সার বেআইনিভাবে অন্যত্র নেওয়ার পথে জব্দ করেছে পুলিশ। ভুয়া বিল-ভাউচার ও চালানের মাধ্যমে অবৈধভাবে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টার দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়ীয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে হাঁপানিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ট্রাকটি আটক করেন।
একই সঙ্গে গাড়ির চালক ও সহকারীকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
প্রাসঙ্গিক সংবাদ
- আলমডাঙ্গায় পুলিশের অভিযানে তিন আসামী গ্রে/প্তার, ভ্রাম্যমান আদালতে একজনের কা/রা/দ/ণ্ড
- আলমডাঙ্গায় ছাত্রীকে নিপীড়নের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক অবরুদ্ধ:পুলিশ হেফাজতে,তদন্ত কমিটি গঠন
- আলমডাঙ্গার নতুন বাসষ্টান্ডে ৬ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই যুবক গ্রেফতার
- আলমডাঙ্গায় নাগদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বোরহান উদ্দিন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার
- চুয়াডাঙ্গায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের তিন দফা দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ
আটক ট্রাকটি যশোরের নওয়াপাড়ার অভয়নগর থেকে ৫০ কেজি ওজনের বস্তাভর্তি টিএসপি সার নিয়ে আসছিল।
সন্ধ্যায় অভিযুক্ত মিনারুলকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে হাঁপানিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় সন্দেহজনক সারবোঝাই ট্রাকটি থামায়। চালকের দেওয়া চালানে সারগুলোর গন্তব্য চুয়াডাঙ্গা সদর বিএডিসি গোডাউন লেখা থাকলেও পুলিশ অনুসন্ধানে জানতে পারে, ট্রাকটি আলমডাঙ্গার ভাংবাড়ীয়া এলাকার ব্যবসায়ী মিনারুল ইসলামের গুদামে যাচ্ছিল।
ঘটনাটি জানার পরপরই হাঁপানিয়া ফাঁড়ির পুলিশ আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনুর আক্তার এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশকে অবহিত করে। এরপর ট্রাকসহ চালক শাকিল হোসেন ও তাঁর সহকারীকে আটক করা হয়
অভিযুক্ত সার ব্যবসায়ী মিনারুল ইসলাম ভাংবাড়ীয়া বাজারে ‘মিনারুল স্টোর’ নামে কীটনাশক ও ভূষি মালের ব্যবসা পরিচালনা করেন। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ইতিপূর্বেও তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সার পাচারের অভিযোগে একাধিকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছিল। সে সময় তাকে অর্থদণ্ড প্রদানের পাশাপাশি জব্দ করা সার খোলা বাজারে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
এদিকে সন্ধ্যার পর আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনুর আক্তারের উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অবৈধভাবে সার পাচার ও মজুদের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত মিনারুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে ৪৪০ বস্তা সার জব্দের নির্দেশ দেন। এবং সারগুলো কৃষকের মাঝে সরকারি ভাবে বিক্রয় হবে বলে জানানো হয়।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











