ফখর-মিনহাসের ঝড়ো ইনিংসে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৩ উইকেটে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা ঘরে তুলেছে পাকিস্তান। কামিন্দু মেন্ডিসের অনবদ্য সেঞ্চুরি ম্লান করে দিয়ে ফখর জামান ও তরুণ আরাফাত মিনহাসের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে ৩২৬ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করে স্বাগতিকরা। ৯ বল হাতে রেখেই কাঙ্ক্ষিত জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তানিরা।
এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলতে থাকে শ্রীলঙ্কা। দলীয় সংগ্রহ বড় করার পথে কামিন্দু মেন্ডিস ও পবন রথনায়েকের ব্যাটে ভর করে বড় সংগ্রহের ভিত পায় লঙ্কানরা। কামিন্দু ১৩১ রানের দৃষ্টিনন্দন ও রথনায়েকের ৭৭ রানের সুবাদে তৃতীয় উইকেটে ১৪৬ রানের জুটি গড়ে সফরকারীরা। শেষদিকে দাসুন শানাকা ও থিকসানার কার্যকরী ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩২৫ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তানের হয়ে বোলিংয়ে দুটি উইকেট শিকার করেন শাহিন আফ্রিদি।
জবাবে ৩২৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় পাকিস্তান। পেসার দিলশান মাদুশঙ্কার জোড়া আঘাতে দ্রুত সাজঘরে ফেরেন ওপেনার মাআজ সাদাকাত ও অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর আজম। প্রাথমিক এই বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার জন্য তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন ফখর জামান ও সাদ বেগ। এই জুটি থেকে আসে ১৪৯ রান। সাদ বেগ ৭৫ বলে ৭৪ রান করে আউট হলেও নিজের মারকুটে ব্যাটিং চালিয়ে যান ফখর জামান। ৯৯ বলে ১১টি চার ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে ১২৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন তিনি।
ফখর ও সালমান আগা দ্রুত বিদায় নিলে শেষ ১৩ ওভারে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন পড়ে ৯৬ রান, যা ম্যাচটিকে বেশ রোমাঞ্চকর করে তোলে। তবে শেষ মুহূর্তে ম্যাচের দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বদলে দেন তরুণ আরাফাত মিনহাস। মাত্র ৩১ বলে ৬১ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের জয়ের পথ সুগম করেন তিনি। মিনহাস মাত্র ২৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে সমীকরণ সহজ করে আনেন।
শেষদিকে মিনহাস ও ফাহিম আশরাফ সাজঘরে ফিরলেও কোনো ভুল করেননি শাহিন আফ্রিদি। ইনিংসের ৪৮ ওভারের তৃতীয় বলে মাদুশঙ্কাকে ছক্কা হাঁকিয়ে পাকিস্তানের জয় ও শিরোপা উৎসব নিশ্চিত করেন এই পেসার।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











