গাংনীতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

১৭ জুলাই ২০২৬ - ১৬:১২
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
গাংনীতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা
গাংনীতে সাব রেজিন্ট্রি অফিসের কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ।

মেহেরপুরের গাংনী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী আবুল কালাম আজাদকে মারধর, গুরুতর জখম, চুরি, অপহরণের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে গাংনী পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইমন হোসেনসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

মামলার বাদী আবুল কালাম আজাদ জানান, গত ১৫ জুলাই রাত প্রায় ৮টার দিকে গাংনী হাসপাতাল বাজার এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনি গাংনী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ১৭ জুলাই নথিভুক্ত হয় (মামলা নং-২৩)।

মামলায় নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন— গাংনী পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শিশিরপাড়ার ইমন হোসেন, মো. গাফফার, মো. ইয়ামিন, মো. বশির, জামিরুল, সোলায়মান ও শামীম।

ঘটনার পর থেকে গাংনী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে জমি ক্রয়-বিক্রয়, দলিল নিবন্ধনসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

গাংনী সাব-রেজিস্ট্রার মাহফুজ রানা বলেন, তার অফিসের স্টাফ আবুল কালাম আজাদকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করায় জেলা রেজিস্ট্রারের নির্দেশে অফিসের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তদন্ত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রয়েছে।

বহিরাগতরা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে সরকারি কর্মচারীকে তুলে নিয়ে গিয়ে লাঞ্ছিত করতে পারে না।

তিনি আরো বলেন, অভিযুক্তদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছিল। তারা উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৪ নভেম্বর গাংনী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হোসনে মোবারকের ওপর হামলার ঘটনায়ও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল।

ওই ঘটনার প্রতিবাদে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রীতম সাহার নেতৃত্বে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানববন্ধন করেছিলেন।

পৌর বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাম বলেন,আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত ২০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে এ কারণে বিক্ষুব্ধ লোকজন তাকে আটকে রাখে।

এদিকে মামলার বাদীর দাবি, হামলাকারীরা তাকে মারধর করার পাশাপাশি অপহরণের চেষ্টা, চুরি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তারেক নাহিয়ান বলেন, মামলার আসামিদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে শিক্ষা কর্মকর্তাকে মারধর সহ চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। মামলাটি তদন্ত শুরু হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হবে।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0