২০২০ সালের মার্কিন নির্বাচনে চিনের হস্তক্ষেপের অভিযোগ ট্রাম্পের,বেজিংয়ের অস্বীকার
হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুম থেকে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রায় ২৫ মিনিটের এক বিশেষ ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বহিরাগত শক্তি হস্তক্ষেপ করেছিল। তাঁর অভিযোগ, সে সময় চিনের পক্ষ থেকে আমেরিকার প্রায় ২২ কোটি ভোটারের ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়, যা বৈশ্বিক ইতিহাসের বৃহত্তম নির্বাচনী তথ্য চুরির ঘটনা। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি বেজিংয়ের বিরুদ্ধে গভীর তদন্ত পরিচালনার জন্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি নির্বাচনী ব্যবস্থার সুরক্ষাজনিত দুর্বলতা ও ত্রুটিগুলো সবার সামনে নিয়ে আসতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা নথি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, অবৈধ উপায়ে সংগ্রহ করা এই তথ্যের মধ্যে সাধারণ মার্কিন ভোটারদের নাম, স্থায়ী ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর এবং তারা রাজনৈতিকভাবে কোন দলকে সমর্থন করেন— তার সব বিবরণ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ট্রাম্পের মতে, এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে চীন, রাশিয়া কিংবা উত্তর কোরিয়ার মতো প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রগুলোর মার্কিন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানোর যথেষ্ট সামর্থ্য রয়েছে। এর আগে ২০২০ সালের নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনকে বিজয়ী করার অভিযোগ তুললেও, সাবেক মার্কিন গোয়েন্দারা তখন জানিয়েছিলেন যে ভোটের ফলাফল পরিবর্তনের কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পের পাল্টা দাবি, গোয়েন্দা বিভাগের একাংশ চিনের এই ভূমিকা জনসাধারণের আড়ালে চেপে রাখার চেষ্টা করেছিল।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন গুরুতর অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চিনা দূতাবাস। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক বিবৃতিতে চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ চ্যাং স্পষ্ট করে বলেন, চিন কখনো আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি কিংবা কোনো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নাক গলায়নি এবং ভবিষ্যতেও এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার অভিপ্রায় তাদের নেই।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











