গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্র টেকসই হবে: মির্জা ফখরুল
গণমাধ্যম শক্তিশালী এবং স্বাধীন ভূমিকা পালন করলে দেশের গণতন্ত্র টেকসই রূপ নেবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে টিভি এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের গুরুত্ব তুলে ধরে এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর প্রত্যাশা ও মতামত অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করা। মানুষের চিন্তা-ভাবনা থেকে শুরু করে সামাজিক ও রাজনৈতিক আচরণের প্রতিটি স্তরে গণতান্ত্রিক চর্চা না থাকলে গণতন্ত্র পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।
সরকারের মেয়াদ ও রাজনৈতিক ধৈর্য প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সরকার গঠনের মাত্র ৩-৪ মাসের মধ্যে রাজপথে নেমে তাকে ব্যর্থ ঘোষণা করা এবং ৫ বছর মেয়াদ পার করতে না দেওয়ার মনোভাব ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক চর্চার সঙ্গে গণতন্ত্রের নীতির মিল নেই। দলটি মুখে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কথা বললেও বাস্তবে তার বিপরীত কাজ করেছে। বিশেষ করে শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের কথা বলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
পশ্চিমা বিশ্বের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, উন্নত দেশগুলোতে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে শত শত বছর লেগেছে। কিন্তু আমাদের মধ্যে সেই ধৈর্য ও সহনশীলতার অভাব রয়েছে।
গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রতি গুরুত্বারোপ করে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, একটি সুস্থ ও শক্তিশালী গণমাধ্যম থাকলে সেখানে গঠনমূলক আলোচনা ও সমালোচনা উভয়ই হবে। বর্তমানে টকশো বা বিভিন্ন আলোচনায় শুনলে মনে হতে পারে দেশ চরম সংকটে বা সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তবে গণমাধ্যম শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখলে দেশের গণতন্ত্র আরও মজবুত হবে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











