৪০ বছরে প্রথমবার প্রিমিয়ার লিগের রেলিগেশন জোনে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

০৮ নভেম্বর ২০২৬ - ১০:২০
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
৪০ বছরে প্রথমবার প্রিমিয়ার লিগের রেলিগেশন জোনে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
ছবি: সংগৃহীত

নটিংহাম ফরেস্টের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির ৩-১ ব্যবধানে হারের ফলে প্রিমিয়ার লিগের অবনমন অঞ্চলে (রেলিগেশন জোন) নেমে গেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। গত চার দশকে মৌসুমের এই সময়ে এমন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ার এটিই প্রথম ঘটনা রেড ডেভিলদের জন্য।

​নটিংহামের এই জয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন সিটি টানা তৃতীয়বারের মতো লিগে পরাজয়ের মুখোমুখি হলো। এদিকে, অন্তত নয়টি ম্যাচ সম্পন্ন করার পর ইউনাইটেড শীর্ষ লিগের রেলিগেশন জোনে দিন পার করল, যা ১৯৮৬ সালের নভেম্বরের পর এই প্রথম। সেসময় ১৫ ম্যাচ শেষে ২১তম অবস্থানে ছিল ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবটি।

​আজকের রবিবারের ম্যাচে যদি সান্ডারল্যান্ড চেলসিকে পরাজিত করে এবং ক্রিস্টাল প্যালেস সেলহার্স্ট পার্কে লিভারপুলের বিপক্ষে হার এড়ায়, তবে ওল্ড ট্রাফোর্ডে অ্যাস্টন ভিলার মুখোমুখি হওয়ার আগেই প্রিমিয়ার লিগ টেবিলের একেবারে তলানিতে নেমে যেতে পারে মাইকেল ক্যারিকের দল।

​গত ৩০ আগস্ট আইপসউইচ টাউনের বিপক্ষে ৫-২ গোলের বড় ব্যবধানে হোম জয়ের পর থেকে প্রিমিয়ার লিগে আর জয়ের মুখ দেখেনি ইউনাইটেড। আসন্ন ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী অ্যাস্টন ভিলা। চলতি মৌসুমে ক্যারিক ও তার শিষ্যরা এরই মধ্যে ক্লাবটির ইতিহাসে প্রিমিয়ার লিগের সবচেয়ে বাজে শুরুর রেকর্ড গড়েছেন, যা গত ৪০ বছরের মধ্যে দলটির সবচেয়ে হতাশাজনক পারফরম্যান্স। ১৯৮৬ সালের সেই দুঃসময়ের পর বরখাস্ত হয়েছিলেন তৎকালীন কোচ রন অ্যাটকিনসন, যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন কিংবদন্তি কোচ স্যার অ্যালিক্স ফার্গুসন।

​সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কোচ হিসেবে ক্যারিকের ভবিষ্যৎ বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। যদিও গত মঙ্গলবার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এএস রোমার বিপক্ষে ৩-২ গোলের নাটকীয় জয় ৪৫ বছর বয়সী এই কোচের জন্য সাময়িক স্বস্তি এনে দিয়েছিল, তবুও তার চাকরি নিয়ে শঙ্কা কাটেনি। ভিলার বিপক্ষে হার সাবেক এই ইউনাইটেড মিডফিল্ডারের জন্য বড় পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

​গত শুক্রবার ক্যারিক আশা প্রকাশ করে বলেন, রোমার বিপক্ষে দলটির কামব্যাক তাদের ভবিষ্যৎ পারফরম্যান্সে বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগাবে। দলের মানসিকতা নিয়ে তিনি বলেন, এটি নিশ্চিতভাবেই একটি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া। তবে এর অর্থ এই নয় যে আমরা অতিউৎসাহিত হয়ে পড়েছি। খেলোয়াড়দের সামর্থ্য নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। দল হিসেবে আমরা কী করতে পারি, তা আমরা সবাই জানি এবং অতীতেও এর প্রমাণ দিয়েছি। যদিও ইদানীং আমরা সেই পারফরম্যান্স নিয়মিত করতে পারছি না, তবে সামর্থ্য আমাদের মধ্যেই রয়েছে এবং ছেলেরা দারুণ অনুশীলন করেছে।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0