টাইব্রেকারে নাটকীয় জয় পেল ম্যানচেস্টার সিটি, কোয়ার্টারে প্রতিপক্ষ ব্র্যাডফোর্ড
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে জেরমি ডোকু বদলি হিসেবে মাঠে নামার পর দারুণ গতি ফিরে পায় ম্যানচেস্টার সিটির আক্রমণভাগ। সেই ছন্দ বজায় রেখে শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে এনজো মারেসকার শিষ্যরা। এ ম্যাচের আসল নায়ক ছিলেন সিটির আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক জেরোনিমো রুলি। পেনাল্টি শুটআউটে ব্রাইটনের পরপর দুটি শট ফিরিয়ে দিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি।
এর আগে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে দুই দফায় এগিয়ে গিয়েছিল ব্রাইটন। দলটির পক্ষে মালিক ইয়ালকুয়ে ও জর্জি নিও রুটার গোল করেন। তবে সিটির হয়ে মাতেও কোভাসিচ ও ভিটোর রইস গোল শোধ করে নির্ধারিত সময় ২-২ সমতায় শেষ করেন। ব্রাইটনের গোলরক্ষক জেসন স্টিল সিটির কোভাসিচের একটি পেনাল্টি শট প্রতিহত করলেও শেষ পর্যন্ত পরাজয় এড়াতে পারেনি তার দল।
ম্যাচ শেষে ম্যানচেস্টার সিটির কোচ এনজো মারেসকা বলেন, ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর থেকে আমরা কখনোই পেনাল্টি নিয়ে বিশেষ অনুশীলন করিনি। সাধারণত ৯০ মিনিটে যারা গোল করে, তারাই পেনাল্টিতে গিয়ে মিস করে। আজকের ম্যাচেও এমনটাই দেখা গেছে। তবে শেষ পর্যন্ত ফলাফল অনুকূলে আসায় আমি আনন্দিত। ডোকুর পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, সে মাঠে নেমেই খেলার গতিপথ বদলে দিয়েছে। মূল একাদশে থাকুক কিংবা বেঞ্চ থেকে নামুক, দলের জন্য নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেওয়াটাই সবার মূল দায়িত্ব।
উল্লেখ্য, কারাবাও কাপের ম্যাচে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) না থাকায় প্রথমার্ধে মালিক ইয়ালকুয়ের গোলটি অফসাইডের দাবি সত্ত্বেও বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে ফিল ফোডেনের বাড়ানো পাসে দুর্দান্ত শটে সমতা আনেন কোভাসিচ। দ্বিতীয়ার্ধে রুটার গোল করলে আবারও পিছিয়ে পড়ে সিটি। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে কোচ ডোকুকে মাঠে নামান, যার গতি ও ড্রিবলিংয়ে ব্রাইটনের রক্ষণভাগ কোণঠাসা হয়ে পড়ে। খেলার শেষ দিকে রায়ান চেরকির ফ্রি-কিক থেকে ডি-বক্সে জটলার মধ্যে ভিটোর রইসের পায়ে বল লেগে জালে জড়ালে সমতা ফেরে। এই জয়ের ফলে কারাবাউ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে লিগ ওয়ান-এর দল ব্র্যাডফোর্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে ম্যানচেস্টার সিটি।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











