রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য এলো নিউক্লিয়ার ফুয়েলের প্রথম চালান
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে প্রাথমিক জ্বালানি লোডিংয়ের প্রস্তুতি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা ‘রসাটম’ জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটের ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টরের জন্য প্রাথমিক ফুয়েল অ্যাসেম্বলির প্রথম চালান সফলভাবে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।
রসাটমের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাইবেরিয়ার নভোসিবির্স্ক কেমিক্যাল কনসেনট্রেট প্ল্যান্টে তৈরি করা এই বিশেষ পারমাণবিক জ্বালানি একটি কার্গো বিমানে করে বাংলাদেশে আনা হয়। প্রকল্প এলাকায় পৌঁছানোর পর তা নির্ধারিত ও নিরাপদ সংরক্ষণাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।
রিঅ্যাক্টরে জ্বালানি ব্যবহারের আগে প্রতিটি অ্যাসেম্বলির নিখুঁত কারিগরি পরীক্ষা চালানো হবে। এই তদারকি কার্যক্রমে বাংলাদেশ, প্রকল্পের মূল ঠিকাদার এবং জ্বালানি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ কমিশন অংশ নেবে। পুরো প্রক্রিয়াটিতে পারমাণবিক ও বিকিরণ সংক্রান্ত সব ধরনের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাবিধি কঠোরভাবে অনুসরণের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
প্রাসঙ্গিক সংবাদ
একই সঙ্গে, কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের আগামী রিফুয়েলিং প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নতুন জ্বালানির আরেকটি চালানও দেশে পৌঁছেছে। প্রথম জ্বালানি চক্র সমাপ্ত হওয়ার পরই কেবল প্রথম ইউনিটে পুনরায় জ্বালানি ভরা (রিফুয়েলিং) হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টর কোরে প্রাথমিক জ্বালানি লোড করার কাজ সম্পন্ন হয়। চলতি মাসেই রিঅ্যাক্টরটি তার সর্বনিম্ন নিয়ন্ত্রণযোগ্য শক্তি স্তরে উন্নীত হয়েছে। তবে জাতীয় গ্রিডে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ যুক্ত করার আগে ধাপে ধাপে শক্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিভিন্ন কারিগরি পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।
রাশিয়ার সর্বাধুনিক নকশায় নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ৩+ প্রজন্মের ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর স্থাপন করা হচ্ছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা হবে ২,৪০০ মেগাওয়াট। রসাটমের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ প্রকল্পটির প্রধান ডিজাইনার ও সাধারণ ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











