কেপটাউনে স্টার্কের বোলিং তাণ্ডবে ৩২৯ রানে থামল দক্ষিণ আফ্রিকা
মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সুবাদে দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথম ইনিংসে ৩২৯ রানে গুটিয়ে দিয়ে ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া। মাত্র ছয় বলের ব্যবধানে স্বাগতিকদের শেষ চার উইকেট শিকার করে প্রোটিয়া ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান অজি এই পেসার।
কেপটাউনে অনুষ্ঠিত এই টেস্টে টস জিতে প্রথমে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে স্বাগতিকদের শুরুটা বেশ দারুণ হয়েছিল। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা মার্কেস অ্যাকারম্যান এবং অভিজ্ঞ এইডেন মার্করাম উদ্বোধনী জুটিতে শক্ত ভিত গড়ে তোলেন। কোনো উইকেট না হারিয়ে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত প্রোটিয়ারা সংগ্রহ করে ১৪০ রান। বিরতির আগে মাত্র ৭৫ বলেই ব্যক্তিগত ৮২ রান পূর্ণ করেন অ্যাকারম্যান।
তবে মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর দলীয় ১৫৮ রানের মাথায় নাথান লায়নের বলে স্টাম্পিংয়ের শিকার হয়ে ফেরেন অ্যাকারম্যান। ৯৪ বলে ১২টি চার ও দুটি ছক্কার সাহায্যে ৯৫ রান করেন তিনি। তার বিদায়ের পরই স্বাগতিক শিবিরে ব্যাটিং ধস নামে। মাত্র ৭৪ রান যোগ করতেই ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।
জশ হ্যাজলউডের বলে শর্ট ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে ৭৮ রান করে আউট হন মার্করাম। এরপর অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা খাতা খোলার আগেই নাথান লায়নের শিকার হন। এরপরই শুরু হয় স্টার্কের বোলিং তাণ্ডব। ডেভিড বেডিংহাম ফিফটি (৫০) করলেও উইয়ান মুল্ডার শূন্য রানে ফেরেন।
সপ্তম উইকেটে রায়ান রিকেলটন ও মার্কো ইয়ানসেন ৯৫ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে দিনের শেষভাগে নতুন বল হাতে নিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করেন স্টার্ক। নতুন বলের চতুর্থ ডেলিভারিতে রিকেলটনকে (৪২) এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলার পর, ঠিক দুই বল পর ইয়ানসেনকেও (৫২) বোল্ড করেন তিনি। এরপর নিজের পরের ওভারের প্রথম বলে জেরাল্ড কোয়েটজি এবং তৃতীয় বলে কাগিসো রাবাদাকে এলবিডব্লু করে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের সমাপ্তি টানেন স্টার্ক। ম্যাচে মাত্র ৭২ রান খরচায় ৬টি উইকেট শিকার করেন এই বাঁহাতি পেসার।
এর আগে গেবেখায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ও ৩১ রানে হারের পর এই ম্যাচে একাদশে চারটি পরিবর্তন আনে অস্ট্রেলিয়া দল। ঘাড়ের চোটের কারণে স্কোয়াডের বাইরে ছিটকে যান স্টিভ স্মিথ। এছাড়া দল থেকে বাদ পড়েন নিক ম্যাডিনসন, বো ওয়েবস্টার ও স্কট বোল্যান্ড। তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়ে একাদশে সুযোগ পান ক্যামেরন গ্রিন, জশ ইংলিস, অলরাউন্ডার কুপার কনোলি এবং অভিজ্ঞ স্পিনার নাথান লায়ন।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











