মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দিলে কঠিন পরিণতির হুশিয়ারি ডা. জাহেদ উর রহমানের
একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন করতে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক ও অনভিপ্রেত বলে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। এই জঘন্য কাজের সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দলের জড়িত থাকার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, এ ধরনের অপকর্মের জন্য তাদের গুরুতর পরিণাম ভোগ করতে হবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান আরও জানান, একজন মানুষের মৃত্যুর পর তার মৃতদেহের প্রতি এমন অসম্মানজনক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং কেউ তা স্বাভাবিকভাবে মেনে নেয় না। যারা এই ধরনের অমানবিক কাজের সঙ্গে যুক্ত, তারা সমাজজুড়ে চরমভাবে নিন্দিত হবেন এবং সাধারণ মানুষের কোনো ধরনের সমর্থন পাবেন না।
অতীতে ঘটিত বিভিন্ন ঘটনার উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, অতীতেও কিছু বিচারপ্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাদের মরদেহের সঙ্গে অনভিপ্রেত আচরণ করা হয়েছিল। সে সময় ওই বিচার প্রক্রিয়ার সমর্থক ব্যক্তিরাও লাশের ওপর এমন আচরণ সমর্থন করেননি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, একজন মানুষ মৃত্যুর পর অন্তত শেষ বিদায়ের এই সম্মানটুকু পাওয়ার অধিকার রাখেন; তার বিচার বা হিসাব নেওয়ার মালিক স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা।
সংবাদ সম্মেলনে টঙ্গীতে একটি শিশুকে নির্যাতনের ঘটনা প্রসঙ্গেও কথা বলেন উপদেষ্টা। তিনি জানান, সরকার এ ধরনের অপরাধমূলক ঘটনাগুলোকে অত্যন্ত কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং টঙ্গীর ঘটনায় ইতোমধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারের এই ধরনের কঠোর ও ধারাবাহিক আইনি পদক্ষেপের কারণে সমাজে অপরাধ প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











