অস্ট্রেলিয়ায় সেমিফাইনালে ১ উইকেটের নাটকীয় হার: টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি থেকে বিদায় বাংলাদেশ এইচপির

৩০ আগস্ট ২০২৬ - ১৭:১৪
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
অস্ট্রেলিয়ায় সেমিফাইনালে ১ উইকেটের নাটকীয় হার: টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি থেকে বিদায় বাংলাদেশ এইচপির
ছবি সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অনুষ্ঠিত টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট অ্যাকাডেমির কাছে মাত্র ১ উইকেটের সূক্ষ্ম ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে ইরফান শুক্কুরের দল।

​ব্যাটিং বিপর্যয়ে ১০১ রানের স্বল্প সংগ্রহ

রোববার সকালে টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ এইচপি। দলের কোনো ব্যাটারই দায়িত্ব নিয়ে ইনিংস বড় করতে পারেননি। আরিফুল ইসলাম, শামীম হোসেন ও সাব্বির রহমানের মতো অভিজ্ঞরা ব্যর্থ হওয়ায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দল। বাংলাদেশের ৮ জন ব্যাটারই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছানোর আগেই আউট হন। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষ হওয়ার আগেই ১০১ রানে গুটিয়ে যায় এইচপি দল।

​বোলারদের লড়াকু প্রত্যাবর্তন

সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ সূচনা করে ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট অ্যাকাডেমি। একপর্যায়ে তাদের জয় কেবল সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল। তবে শেষ দিকে দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচে নাটকীয়তা ফেরান বাংলাদেশের বোলাররা। রিপন মণ্ডল ও মোহাম্মদ রুবেলের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ২০ রানের ব্যবধানে ভিক্টোরিয়ার ৬টি উইকেট তুলে নিয়ে জয়ের সম্ভাবনা জাগায় বাংলাদেশ। তবে শেষ পর্যন্ত তীরে এসে তরী ডোবে। ২ বল হাতে রেখে ৯ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়ার দলটি।

​টুর্নামেন্টে রুবেল ও আরিফুলের ব্যক্তিগত উজ্জ্বলতা

দল সেমিফাইনালে বিদায় নিলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্টজুড়ে নজর কেড়েছেন স্পিনার মোহাম্মদ রুবেল। ৭ ম্যাচে ২৩ উইকেট নিয়ে আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের জেইডন লেনক্সের চেয়ে ১০টি উইকেট বেশি পেয়েছেন তিনি। সেমিফাইনালেও রুবেল ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন।

​এছাড়া বল হাতে বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল হাসান ৫ ম্যাচে ৯টি এবং পেসার রিপন মণ্ডল ৬ ম্যাচে ৮টি উইকেট নেন। ব্যাটারদের মধ্যে আরিফুল ইসলাম ৭ ম্যাচে ১৩৮.৬০ স্ট্রাইকরেটে ২১৯ রান (দুটি ফিফটি) করে টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হন। সাব্বির রহমান ৭ ম্যাচে দুটি ফিফটিসহ করেন ১৮৪ রান। তবে শামীম হোসেন (১০৭ রান), জিসান আলম (১০২ রান), হাবিবুর রহমান (৮৫ রান) ও অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর (৭২ রান) ব্যাটে প্রত্যাশিত রান পাননি।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0