এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান: বুধবার ঢাকায় চুক্তি সই

০৬ অক্টোবর ২০২৬ - ২৩:২৩
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান: বুধবার ঢাকায় চুক্তি সই
ছবি সংগৃহীত

ইউরোপীয় বিমান প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কিনতে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি করতে যাচ্ছে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বুধবার (০৭ অক্টোবর) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে।

​বিমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীর রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ‘স্প্রেডিং আওয়ার উইংস টুগেদার’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হবে। দেশের এভিয়েশন খাতের সম্প্রসারণ ও বিমানের বহর আধুনিকায়নের প্রক্রিয়ায় এই চুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

​মিশ্র বহরের যুগে বিমান

এতদিন আন্তর্জাতিক বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য মূলত যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বোয়িং উড়োজাহাজের ওপর নির্ভর করত বিমান। এর আগে দুই দফায় বোয়িং থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনা হয়েছিল। তবে নতুন করে এয়ারবাস যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে সংস্থাটি মিশ্র বহর (মিক্সড ফ্লিট) পরিচালনাকারী এয়ারলাইন্সের তালিকায় নাম লেখাতে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, বৈশ্বিক বড় এয়ারলাইন্সগুলোর পাশাপাশি দেশের বেসরকারি সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বহরেও বোয়িং ও এয়ারবাস—উভয় ধরনের উড়োজাহাজ বিদ্যমান।

​অতিথি ও উড়োজাহাজের বিবরণ

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়োর্গেন ওয়েস্টারমেয়ার।

​বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট মডেলের কথা বলা না হলেও, সম্প্রতি বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী জানিয়েছিলেন—চুক্তির আওতায় চারটি সুপ্রশস্ত ওয়াইডবডি 'এ৩৫০-৯০০' এবং ছয়টি ন্যারোবডি 'এ৩২১ নিও' মডেলের উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে।

​২০৩০ সালের আগে ডেলিভারির তাগিদ

সম্প্রতি সচিবালয়ে জার্মানির শীর্ষ বিমানসংস্থা লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদল বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাতকালে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বহর আধুনিকায়নে কাজ চলছে এবং এয়ারবাস যেন ২০৩০ সালের আগেই এসব উড়োজাহাজ সরবরাহ শুরু করে সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে জার্মানির কারিগরি সহায়তা, মেইনটেনেন্স সার্ভিস (এমআরও) ও দক্ষ জনবল তৈরিতে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0