কোটি টাকার আয় ও বেখেয়ালি অতীত নিয়ে মুখ খুললেন নোবেল
ভারতের জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘সারেগামাপা’-তে তৃতীয় স্থান অর্জনের পর রাতারাতি দেশজুড়ে পরিচিতি পান বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার পর মৌলিক গান ও চলচ্চিত্রে কণ্ঠ দিয়ে সংগীত অঙ্গনে নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেন তিনি। তবে সাফল্যের পাশাপাশি নানা সময়ে ব্যক্তিগত জীবনের নানা কর্মকাণ্ডের কারণেও চর্চায় এসেছেন এই গায়ক। সম্প্রতি নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর সময়ের বিপুল আয়, তৎকালীন মানসিক অবস্থা এবং বর্তমান জীবনযাত্রার ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।
অল্প বয়সে বিপুল আয় ও মানসিক অস্থিরতা
নোবেল জানান, রিয়্যালিটি শো থেকে পরিচিতি পাওয়ার পর খুব অল্প বয়সেই তাঁর প্রচুর অর্থ উপার্জন হতে থাকে। একপর্যায়ে মাসে ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতেন তিনি। তবে ২৪-২৫ বছর বয়সে এত বিপুল পরিমাণ টাকা ও দ্রুত সাফল্য সামলে ওঠার মতো মানসিক পরিপক্বতা তখন তাঁর ছিল না। গায়কের দাবি, একসময় তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছিল কয়েক কোটি টাকা। এই আকস্মিক প্রাচুর্য তাঁকে মানসিকভাবে অস্থির করে তোলে এবং তিনি বেখেয়ালি জীবনযাপনে জড়িয়ে পড়েন।
সংগীতযাত্রা ও সারেগামাপার মঞ্চ
নোবেলের সংগীতচর্চার ইতিহাস কিন্তু শুধু রিয়্যালিটি শো কেন্দ্রিক নয়। শৈশবে বাবার কিনে দেওয়া ক্যাসেটে আইয়ুব বাচ্চু, জেমস ও হাসানের গান শুনেই তাঁর গানের প্রতি আগ্রহ জন্মায়। প্রাতিষ্ঠানিক কোনো গুরুর কাছে তালিম না নিলেও নিজস্ব চেষ্টাতেই চর্চা চালিয়ে যান তিনি। ২০১৬ সালে ব্যান্ডের মাধ্যমে পেশাদার সংগীতে পা রাখেন। পরবর্তীতে ‘সারেগামাপা’ প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জনের মাধ্যমে বড় পরিসরে নাম ছড়িয়ে পড়ে তাঁর।
পিতৃত্ব ও নতুন জীবনের অধ্যায়
অতীতের সেই অস্থির দিনগুলো পেছনে ফেলে বর্তমান জীবন নিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তনের কথা শুনিয়েছেন নোবেল। তিনি জানান, বিশেষ করে গত ১০ মাসে তাঁর মানসিকতা ও দৈনন্দিন জীবনযাপনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। মূলত সন্তান জন্মের পর থেকেই জীবনের লক্ষ্য ও ভাবনায় এই রূপান্তর শুরু হয়। বর্তমানে অতীতের অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে পরিবার, সন্তান ও সংগীত নিয়ে নতুনভাবে নিজেকে গুছিয়ে তুলেছেন এই শিল্পী।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











