ডিএমজেডে মাইন বিস্ফোরণ: উত্তর কোরিয়াকে ক্ষমা চাওয়ার চাপে রাখছে সিউল
সীমান্তের ডিমিলিটারাইজড জোনে (ডিএমজেড) সংঘটিত স্থলমাইন বিস্ফোরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর কোরিয়ার ওপর কূটনৈতিক চাপ জোরদার করছে দক্ষিণ কোরিয়া। এ ঘটনায় পিয়ংইয়ংকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করতে সিউল নতুন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
যৌথ তদন্ত ও সিউলের পদক্ষেপ
দক্ষিণ কোরিয়া ও জাতিসংঘের যৌথ তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গত মাসে ডিএমজেড এলাকায় যে দুটি মাইন বিস্ফোরিত হয়ে তিন সেনাসদস্য আহত হন, তা প্রায় এক বছর আগে পুঁতেছিল উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী। তদন্তের পর উত্তর কোরিয়ার কাছে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র চুং বিন-না জানান, পিয়ংইয়ংকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার ক্ষেত্রে সব ধরনের সম্ভাব্য পথ খোলা রাখা হয়েছে। তবে সম্ভাব্য পদক্ষেপগুলোর সুনির্দিষ্ট বিবরণ তিনি প্রকাশ করেননি। পাশাপাশি ডিএমজেডের দক্ষিণ অংশে থাকা বাকি মাইনগুলো অপসারণের দাবি জানিয়েছে সিউল। এরই মধ্যে সামরিক সীমারেখার (এমডিএল) দক্ষিণাঞ্চলে মাইন নিষ্ক্রিয়করণ অভিযান চালিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী।
উত্তর কোরিয়ার প্রতিক্রিয়া
অন্যদিকে এই বিস্ফোরণের দায় সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে উত্তর কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং সিউলের ক্ষমা চাওয়ার দাবিকে 'ঘৃণ্য' আখ্যা দিয়ে তা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন।
সীমান্তরেখা পুনর্নির্ধারণ নিয়েও দুই দেশের অবস্থান বিপরীতমুখী। দক্ষিণ কোরিয়া যৌথ আলোচনার মাধ্যমে এমডিএল পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব দিলেও সেটিকে 'বন্য কল্পনা' বলে উড়িয়ে দিয়েছে পিয়ংইয়ং। কিম ইয়ো জং স্পষ্টভাবে জানান, আলোচনার টেবিলে নয়, শক্তির প্রয়োগের মাধ্যমেই নিজেদের সার্বভৌম সীমান্ত রক্ষা ও নির্ধারণ করবে উত্তর কোরিয়া।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











