কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আইন প্রণয়নে কাজ করছে সরকার: আইনমন্ত্রী

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ১৪:৫৮
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আইন প্রণয়নে কাজ করছে সরকার: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। পুরানো ছবি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আইনটির খসড়া তৈরিতে বিশেষজ্ঞদের মতামত ও সুপারিশ গ্রহণ করা হচ্ছে। সংগৃহীত সুপারিশ সংযোজন ও বিয়োজন শেষে চূড়ান্ত বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

​বিচার বিভাগে এআই ব্যবহারের ঝুঁকি

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নিমতলীতে অবস্থিত এশিয়াটিক সোসাইটিতে আয়োজিত 'এআই গভার্ন্যান্স সামার স্কুল' শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারে আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সুনির্দিষ্ট আইনি নীতিমালা না থাকলে বিচারব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই এআইয়ের অপব্যবহার ও প্রযুক্তিনির্ভর উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবিলায় বিচারকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

​প্রতারণা ও অপপ্রচারের শঙ্কা

বক্তব্যে তিনি সতর্ক করে জানান, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া জবানবন্দি, বিকৃত ছবি বা কৃত্রিম প্রমাণ তৈরি করে আদালতকে বিভ্রান্ত করার সুযোগ রয়েছে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিচারপ্রার্থীরা। পাশাপাশি প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও নতুন সামাজিক ও আইনি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন। এমনকি রায় বিপক্ষে গেলে বিচারকদের ওপর চাপ সৃষ্টি কিংবা তাঁদের বিরুদ্ধে এআইভিত্তিক অপপ্রচার চালানোর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

​উল্লেখ্য, সোসাইটি ফর জাস্টিস অ্যান্ড এআই (এসজেএআই) এবং লিগ্যালাইজড এডুকেশন বাংলাদেশ লিমিটেড যৌথভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় এই পাঁচ দিনব্যাপী সামার স্কুলের আয়োজন করে। সেখানে বিচার বিভাগ, মানবাধিকার, আর্থিক সেবা, স্বাস্থ্য ও জনপ্রশাসনে এআই গভর্নেন্স নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিচারক, আইনজীবী, শিক্ষক, প্রযুক্তিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে সেমিনার শেষে সনদ বিতরণ করা হয়।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0