বিশ্ব হাসি দিবস আজ: প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটানোর দিন
অক্টোবর মাসের প্রথম শুক্রবার বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে 'বিশ্ব হাসি দিবস'। এ বছর ২ অক্টোবর দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। জাতি, লিঙ্গ বা ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে মানুষের মধ্যে আনন্দ ও প্রফুল্লতা ছড়িয়ে দেওয়াই এই দিবসের প্রধান লক্ষ্য।
দিবসটির পেছনের ইতিহাস
বিখ্যাত ‘স্মাইলি ফেস’ বা হাসিমুখের প্রতীকের প্রবর্তক হার্ভি বলের উদ্যোগে ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্ব হাসি দিবস উদযাপন শুরু হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে ভালো কাজের চর্চা এবং হাসি ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। ২০০১ সালে হার্ভি বলের প্রয়াণের পর তাঁর স্মরণে ‘হার্ভে বল ওয়ার্ল্ড স্মাইল ফাউন্ডেশন’ গঠিত হয়। এই ফাউন্ডেশন প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে দিনটি পালনের ব্যবস্থা করে। প্রফুল্লতা ও আনন্দের প্রতীক হিসেবেই হাসিমুখের জন্য হলুদ রঙ নির্বাচন করা হয়েছিল।
হাসির স্বাস্থ্য উপকারিতা
বাংলা সাহিত্যে সুকুমার রায়ের কাল্পনিক চরিত্র 'রামগরুর ছানা'র হাসতে মানা থাকলেও, চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে হাসির ইতিবাচক প্রভাব অপরিসীম। হাসির সময় মানবদেহে এনডোরফিন নামক নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসৃত হয়, যা মনের প্রফুল্লতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
যেভাবে উদযাপন করা যেতে পারে
দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝেও প্রিয়জন, পরিবার বা বন্ধুদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য দিনটি এক বিশেষ সুযোগ তৈরি করে। পুরোনো স্মৃতি রোমন্থন, কৌতুক বলা কিংবা প্রিয় মানুষের সঙ্গে হাসিমুখে কিছুটা সময় কাটানোর মাধ্যমেই দিনটিকে সুন্দরভাবে উদযাপন করা সম্ভব।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











