ড্রাগন ফল সবার জন্য নিরাপদ নয়: জানুন কাদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন
পরিপোষক উপাদানে সমৃদ্ধ ও সুস্বাদু ড্রাগন ফল সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক হলেও সবার শারীরিক অবস্থার সঙ্গে এটি মানানসই নাও হতে পারে। বেশ কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ফলটি গ্রহণে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে অ্যালার্জি বা হজমজনিত দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা থাকলে ড্রাগন ফল খাওয়ার ব্যাপারে বিশেষ সচেতনতা বজায় রাখা জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ড্রাগন ফল খাওয়ার পর ত্বকে লালচে চুলকানি, আমবাত কিংবা ঠোঁট, মুখ ও গলা ফুলে যাওয়ার মতো কোনো লক্ষণ প্রকাশ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে ফলটি খাওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে অতি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
পুষ্টি উপাদানের বিচারে ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে অন্তত ৬০ কিলোক্যালরি শক্তি, ১৩-১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩ গ্রাম ফাইবার এবং ১ গ্রাম প্রোটিনের পাশাপাশি প্রভূত ভিটামিন সি, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান। তা সত্ত্বেও কয়েকটি নির্দিষ্ট শারীরিক পরিস্থিতিতে এ ফল বুঝে-শুনে খাওয়া ভালো:
- ডায়াবেটিস রোগী: রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের ওষুধ বা ইনসুলিন গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ড্রাগন ফল খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
- কিডনি ব্যাধি: কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হ্রাস পেলে দেহে পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়। যেহেতু ফলের পুষ্টি উপাদান এতে প্রভাব ফেলে, তাই শারীরিক অবস্থা ও রক্তের পটাশিয়াম লেভেল মেপে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এর পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত।
- গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মা: এ সময়ে পরিমিত পরিমাণে ড্রাগন ফল খাওয়া গেলেও অতিরিক্ত গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা ভালো।
সুস্থ স্বাভাবিক ব্যক্তিরা নিশ্চিন্তে ড্রাগন ফল গ্রহণ করতে পারলেও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্তদের খাদ্যতালিকায় এটি যুক্ত করার আগে ডায়েটিশিয়ান বা চিকিৎসকের মতামত নেওয়া শ্রেয়।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











