চার দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে বড় ধরনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবী ইরানের
দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের চার দেশে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, জর্ডান, ইরাক, কুয়েত ও বাহরাইনে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন বর্ষণ করা হয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ও মার্কিন সেনা হতাহতের দাবি করা হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও আক্রান্ত দেশগুলো অধিকাংশ দাবিই অস্বীকার করেছে।
আইআরজিসির তথ্য অনুযায়ী, জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটির ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং ক্যাম্প তিতিনে সরাসরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। তবে জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ১৩টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ১০টি প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়েছে। বাকি ৩টি জনশূন্য এলাকায় পড়েছে এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ক্যাম্প তিতিনেও মার্কিন সেনা হতাহত বা বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে একটি মার্কিন সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় এরবিলে মার্কিন অবস্থান লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হলে সামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবি করে আইআরজিসি। অন্যদিকে কুয়েতি সামরিক কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সফলভাবে ড্রোনসহ অন্যান্য আকাশযান ধ্বংস করেছে। বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতে রাডার ও সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় ইরান, যদিও বাহরাইন দাবি করেছে যে তারা হামলার অধিকাংশ লক্ষ্যবস্তু প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার দক্ষিণ ইরানের বন্দর আব্বাস, কেশম দ্বীপ, চাবাহার, জাস্ক, সিরিক ও আসালুয়েহের বিভিন্ন কৌশলগত এবং সামরিক অবকাঠামোতে অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে সিরিক এলাকায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা এবং প্রাণহানির অভিযোগ তুলেছে তেহরান। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর দুই দেশের উত্তেজনা সরাসরি সামরিক সংঘাতে রূপ নিলো। নতুন করে হামলা চালালে ইরানকে কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











