সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

২০ জুলাই ২০২৬ - ১৯:৪৯
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শনকালে। ছবি: সংগৃহীত

অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশ-ইন, মানবপাচার, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানসহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমন ও রোধে সীমান্তের সর্বত্র বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

​আজ সোমবার রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শনকালে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বিজিবি সদস্যদের প্রতি এই নির্দেশনা দেন তিনি। এর আগে বেলা ১১টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পিলখানায় উপস্থিত হলে বিজিবির একটি সুসজ্জিত চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরবর্তীতে তিনি বাহিনীর অপারেশনাল, প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ ব্রিফিংয়ে অংশ নেন।

​পিলখানার শহীদ শাকিল আহমেদ হলে আয়োজিত ওই মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি সদস্যদের দেশপ্রেম, সততা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, চেইন অব কমান্ড, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও পেশাদার আচরণ বজায় রাখার ওপর জোর দেন। গুঞ্জন বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সঠিক তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সঠিক ব্যবহার, সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের ট্রাস্ট বা আস্থা অর্জন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানবিক ভূমিকা পালন এবং আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

​মন্ত্রী 'সবার আগে বাংলাদেশ' চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, সার্বভৌমত্ব এবং সার্বিক জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় বিজিবিকে ভবিষ্যতে আরও অনন্য ভূমিকা রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

​অনুষ্ঠানে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ সদর দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সরাসরি অংশ নেন। এছাড়া সারা দেশের বিভিন্ন রিজিয়ন, সেক্টর, ব্যাটালিয়ন ও বিওপিতে কর্মরত সদস্যরা ভিডিও টেলিকনফারেন্সের (ভিটিসি) মাধ্যমে এই সভায় যুক্ত ছিলেন। মতবিনিময় শেষে মন্ত্রী বিজিবির পরিদর্শক বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

​পরবর্তীতে তিনি পিলখানার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ‘সীমান্ত গৌরব’, ২০০৯ সালের ‘শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ ও ‘দীপ্ত সীমান্ত’ বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের পাশাপাশি ‘সীমান্ত কুঞ্জ’ এলাকায় একটি ফলজ বা বনজ গাছের চারা রোপণ করেন। কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে পিলখানার শহীদ ক্যাপ্টেন আশরাফ হলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন এবং সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0