জুলাই অভ্যুত্থান কারও একার নয়, এটি সবার অর্জন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

০৪ জুলাই ২০২৬ - ১৫:৩৪
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
জুলাই অভ্যুত্থান কারও একার নয়, এটি সবার অর্জন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছবি সংগৃহিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কোনো সুনির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির একক কৃতিত্ব হিসেবে না দেখে, একে দেশের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অর্জন হিসেবে অবিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে দল-মত নির্বিশেষে মানুষ সেদিন রাজপথে নেমে এসেছিল, তাই তাদের এই অবদানকে যথাযথ সম্মান জানাতে হবে।

​শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলনে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

​প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তবে বিচারের নামে যেন কোনো ধরনের অন্যায় বা অবিচার না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সঠিক বিচার পাওয়ার স্বার্থে প্রয়োজনে কিছুটা সময় নেওয়ার পক্ষেও মত দেন সরকারপ্রধান।

​একটি নিরাপদ ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে তারেক রহমান বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে প্রতিটি নাগরিক তাঁর ন্যায্য অধিকার ও সম্মান বজায় রেখে বাস করতে পারবেন। দেশকে বিভক্ত রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাসী সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

​বক্তব্যের একপর্যায়ে দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক জুলুম ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হওয়া নিজের পরিবারের স্মৃতিচারণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আজ যদি তাঁর প্রয়াত মা ও ভাই বেঁচে থাকতেন, তবে তাঁরাও প্রতিহিংসার রাজনীতির বদলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিতেন। দীর্ঘদিন পর সহকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আন্দোলনের শহীদ ও অঙ্গহানি হওয়া ব্যক্তিদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।

​জাতীয় সংসদের হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই স্মরণসভায় জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও চিকিৎসাধীন আহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। স্মরণসভায় মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0