বাংলাদেশে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তুলতে জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে মার্কিন বিনিয়োগের প্রস্তাব

১৩ আগস্ট ২০২৬ - ১৯:২১
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
বাংলাদেশে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তুলতে জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে মার্কিন বিনিয়োগের প্রস্তাব
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ড. মাহদী আমিন। ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশে আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। সেই সাথে দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক নীতি বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মার্কিন উদ্যোক্তারা।

​বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে অনুষ্ঠিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন আলোচনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

​ড. মাহদী আমিন জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো মানসম্মত বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার নানা ধরনের সুবিধা ও প্রণোদনা দিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আয়োজিত এ বৈঠক সেই প্রচেষ্টারই এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

​তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যাম্বাসেডর অতুল কেশাপের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মার্কিন প্রতিনিধিদল এ আলোচনায় অংশ নেয়। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের পলিসিগুলো বাস্তবায়নে আমেরিকান প্রাইভেট সেক্টরের কার্যকর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। একই সাথে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত বলে বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করা হয়।

​বৈঠক শেষে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপ সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপকল্পে তারা পূর্ণ আস্থা রাখেন। তিনি বলেন, মার্কিন বেসরকারি খাত বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তি এনে দেশটির সার্বিক উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখতে আগ্রহী। বেশ কিছু আমেরিকান কোম্পানি বহু বছর ধরে বাংলাদেশে সক্রিয় থেকে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অগ্রগতিতে কাজ করে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0