পরীক্ষার খাতায় ঢালাও নম্বর দেওয়ার সুযোগ নেই: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন

১০ আগস্ট ২০২৬ - ১৪:৫২
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
পরীক্ষার খাতায় ঢালাও নম্বর দেওয়ার সুযোগ নেই: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন । ছবি: সংগৃহীত

পরীক্ষার মূল্যায়নে বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, ঢালাওভাবে পরীক্ষার খাতায় নম্বর দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার ভিত্তিতে যে ফল পাওয়ার যোগ্য, এবার ঠিক সেভাবেই ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

​সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

​শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, পরীক্ষার খাতায় ইচ্ছেমতো নম্বর বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। শিক্ষার্থী যতটুকু উত্তর প্রদান করেছে, সঠিকভাবে সেই অনুযায়ী নম্বর প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, অনেক সময় প্রত্যাশিত ফল না পেলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। আগের আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে সম্পূর্ণ খাতা পুনঃপরীক্ষার সুযোগ ছিল না, কেবল নম্বর গণনার সুবিধা ছিল। তবে এবার আইন সংশোধন করা হয়েছে। এখন থেকে কোনো শিক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করলে তার পুরো উত্তরপত্র পুনরায় মূল্যায়ন করা হবে এবং এতে কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​এবারের পরীক্ষায় ৩১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী ফেল করার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাঁর পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

​সংবাদ সম্মেলনে আগামী বছরের পরীক্ষার সময়সূচি নিয়ে তিনি জানান, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তীতে পরীক্ষার সময় আরও এগিয়ে নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে।

​উল্লেখ্য, এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বমোট গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ৬৪.০৫ শতাংশ, মাদ্রাসা বোর্ডে ৫৫.৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৫৮.২০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। দেশের সবকটি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়, যার মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। এছাড়া জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0