সমুদ্র উপকূলে কল-কারখানা স্থাপনে কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে সহায়তা সামগ্রী প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সমুদ্র এলাকা এ দেশের জনগণের এক বিশাল সম্পদ। এই বিশাল সমুদ্র সংলগ্ন অঞ্চলে বিভিন্ন শিল্প ও কল-কারখানা গড়ে তোলার মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করা হবে, যা দেশের বেকার সমস্যা নিরসনে বড় ভূমিকা রাখবে।
একইসঙ্গে স্থানীয় লবণ চাষিদের আর্থিক সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে দ্রুতই লবণের নতুন মূল্য নির্ধারণের প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে দেশের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান, যাতে কোনো কুচক্রী মহল জনমনে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে। বক্তব্য প্রদান শেষে তিনি বন্যাদুর্গত মানুষের হাতে ত্রাণসামগ্রী হস্তান্তর করেন।
এর আগে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফরের অংশে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) সার্বিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।
ঘোষিত সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী দুপুর ২টায় ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলম বাবুনগর মাদরাসায় শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর বিকেল সোয়া ৩টায় হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসায় আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরে হাটহাজারী ডাকবাংলোয় ক্ষণিক যাত্রাবিরতি শেষে বিকেল ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। সফর শেষে সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় চট্টগ্রামের ‘রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ’ হোটেলের মিলনায়তনে এক সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর আগে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করলেও মহেশখালী, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী উপজেলায় এটিই তাঁর প্রথম সফর।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











