আলমডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণে জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফ
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়,সরকার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: শরীফুজ্জামান শরীফ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১ টার দিকে পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শরীফুজ্জামান শরীফ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকে যে বৃক্ষরোপণ কর্মসুচী এটা কে ঘোষনা করেছে জানো তোমরা? বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম জানো?
প্রাসঙ্গিক সংবাদ
- চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের মিলেছে পরিচয়
- চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ভাসমান মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে পিবিআই
- চুয়াডাঙ্গায় ‘মানবতার যুব সমাজ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
- চুয়াডাঙ্গায় মেয়ের বাড়ি এসে সড়ক দুর্ঘটনায় নারীর মৃত্যু
- ভারতে যাওয়ার পথে দর্শনায় আওয়ামী লীগ নেতা এমএ খালেক আটক
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে একটি সমৃদ্ধ সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে প্রধানমন্ত্রী এই বৃক্ষরোপণ কর্মসুচী ঘোষনা করেছেন। তারেক রহমানের কর্মসুচী প্রতি বছর ৫ কোটি গাছ লাগানো। পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ আমরা রোপণ করবো।
তিনি বলেন," আজকে তোমাদের এই গাছ দেওয়ার কারণটা কি জানো? এই গাছ দেবার কারণ হলো আগামীতে তোমরাই এই বাংলাদেশের হাল ধরবে । তোমরা স্কুলের শিক্ষক হবে, ম্যাজিষ্ট্রেট হবে,ডিসি হবে । সরকারের সমস্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরী করবে। এই বাংলাদেশের আগামীর ভবিষত হবে। সেজন্য ছোট থেকেই এই বাংলাদেশ নিয়ে যে চেতনা, আমাদের প্রধানমন্ত্রী যা ভাবে, সেটা তোমাদের সাথে শেয়ার করা। তাঁর যে পরিকল্পনা আছে সেই পরিকল্পনায় তোমাদের সহযোগীতা করা।
জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন,আগামী দিনের বাংলাদেশ নিয়ে প্রধানমর্ত্রী তারেক রহমান যে স্বপ্ন দেখেন, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য যে কাজগুলো উনি করতে চান। আমরা সবাইকে নিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে চাই।
তিনি বলেন, অতি দ্রুত যাতে আলমডাঙ্গা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারীকরণ হয় সেজন্য কোথায় কোথায় সমস্যা আছে তার জন্য আমি চেষ্টা করবো যে অল্প সময়েই এটা বাস্তবায়িত হবে। পাশাপাশি শিক্ষা বিভাগের যে ফ্যাসালিটিস বিভাগ আছে সেখানে আলাপ আলোচনা করে এখানে যেনো বহুতল ভবন করা যায়। এই স্কুল এবং স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি এই উদ্যোগটা নিতে হবে।
এই যে ৬৬ সালে স্থাপিত স্কুল এখন পর্যন্ত সিমানা নির্ধারণ হয়নি, এই জমি দখল হয়ে যাবার শঙ্কা আছে। এতোদিন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যারা চালিয়েছে, এখানে যারা কর্মরত ছিলেন তাদের কোন না কোন জায়গায় দুর্বলতা আছে। এটাকে কুক্ষিগত করার জন্য কেউ করেনি। আমি বলতে চাই স্কুলের কাগজপত্র দেখে সিমানায় যতবড় শক্তিশালী লোকই থাকুক সীমানা নির্ধারণ করে দ্রুত প্রাচীর নির্মাণ করা হোক। আমি প্রধান শিক্ষক মহোদয়কে অনুরোধ করবো।
বৃক্ষরোপণ কর্মসুচীতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জিয়াউল হক,থানার অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরাইল, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আক্তার হোসেন জোয়ার্দ্দার,উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক রোকন,পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু,উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা।
আলমডাঙ্গা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মিজানুর রহমানের উপস্থাপনায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমমুল হাবিব সেলিম,আলমডাঙ্গা উপজেলা যুবদল নেতা রফিকুল ইসলাম,পৌর যুবদলের আহবায়ক - নাজিম উদ্দীন মোল্লা,আলমডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলে আহ্বায়ক জাহিদ হাসান ( শুভ) সদস্য সচিব - আল ইমরান রাসেল, আলমডাঙ্গা পৌর আহ্বায়ক - আতিক হাসান (রিংকু), সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান তন্ময় প্রমুখ।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











