আলমডাঙ্গার ওসমানপুরের চয়েন আলী হত্যা মামলার আসামি হেলাল গ্রেপ্তার
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় চয়েন আলী (৪৯) নামে এক ব্যক্তিকে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মোঃ হেলাল উদ্দিন (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৭ অক্টোবর) ভোরে আলমডাঙ্গা থানাধীন হারদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত হেলাল মিয়া কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আসাননগর গ্রামের মোঃ ইয়ামিনের ছেলে। তিনি বর্তমানে আলমডাঙ্গার ওসমানপুর (নতুনপাড়া) এলাকায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে হেলাল মিয়া মোবাইল ফোনে চয়েন আলীকে নিজ বাড়িতে ডেকে নেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চয়েন আলীর ফোন থেকে তাঁর ছেলে মারুফকে কল করে হেলাল দাবি করেন, তিনি চয়েন আলীর কাছে টাকা পাবেন। এ নিয়ে মীমাংসার জন্য মারুফকে স্ট্যাম্প কিনে তাঁর বাড়িতে আসতে বলা হয়।
প্রাসঙ্গিক সংবাদ
- চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দের সাক্ষাত
- আলমডাঙ্গায় ৬ অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে চিকিৎসা সহায়তার চেক হস্তান্তর
- আলমডাঙ্গায় ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য র্যালি
- আলমডাঙ্গায় নাশকতার মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার
- আলমডাঙ্গা গার্মেন্টস মালিক সমিতির নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ ও বিদায় সংবর্ধনা
মারুফ স্ট্যাম্প কিনে হেলালের বাড়িতে যাওয়ার প্রস্তুতাকালে বেলা ১টার দিকে হেলাল পুনরায় ফোন করে জানান, চয়েন আলী ঘরের ভেতর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এবং তাঁকে হারদী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে স্বজনরা দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চয়েন আলীর মরদেহ দেখতে পান। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, নিহতের বাম পাশের থুতনির নিচে রক্তাক্ত জখম এবং পিঠ ও গলায় কালশিরে দাগ পরিলক্ষিত হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোছাঃ মাজেদা খাতুন বাদী হয়ে হেলাল মিয়া, তাঁর স্ত্রী মোছাঃ লাবনীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে আলমডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ারের দিকনির্দেশনা ও আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ মেহেদী হাসান তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে হারদী এলাকা থেকে প্রধান আসামি হেলাল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার নেপথ্য কারণ ও অন্য জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
1
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











