কোয়েল মল্লিকের দলবদল ও নীরবতা নিয়ে রূপাঞ্জনার ক্ষোভ প্রকাশ
অভিনয় জগতের পাশাপাশি রাজনীতির মাঠেও পরিচিত মুখ টালিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। পূর্বে তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভায় সংসদ সদস্যের দায়িত্ব সামলেছিলেন ‘মিতিন মাসি’ খ্যাত এই অভিনেত্রী। তবে গত বিধানসভা নির্বাচনে দলের পরাজয়ের পর তিনি পদত্যাগ করেন। সেই রেশ কাটার আগেই গত সোমবার (৫ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দেন তিনি এবং দলটির পক্ষ থেকে রাজ্যসভার প্রার্থীর টিকিটও পান।
তৃণমূল ছেড়ে পদ্মশিবিরে কোয়েলের এই যোগদান এবং সরাসরি রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতি ও টালিউড ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি বিস্ফোরক বার্তা প্রকাশ করে নিজের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র।
হেনস্তার ঘটনা ও নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন
নিজের পোস্টে রূপাঞ্জনা সরাসরি কারও নাম উল্লেখ না করলেও কোয়েল মল্লিকের দলবদল, রাজনৈতিক পদ লাভ এবং বিভিন্ন বিষয়ে বিনোদন জগতের নীরবতা নিয়ে চাঁচাছোলা মন্তব্য করেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, অতীতে একটি সিনেমার শুটিং ফ্লোরে অভিনেত্রী হেনস্তার ঘটনা ঘটলেও ইন্ডাস্ট্রির প্রভাবশালী ব্যক্তিরা কেন নীরব ভূমিকা পালন করেছিলেন? উল্লেখ্য, ‘মিতিন মাসি’ ছবির কাজ চলাকালে পরিচালক অরিন্দম শীলের বিরুদ্ধে এক অভিনেত্রীকে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছিল। সে সময় কোয়েল মল্লিকের নীরব থাকা নিয়ে রূপাঞ্জনা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
‘প্যারাশুট ল্যান্ডিং’ ও তোষামোদের কটাক্ষ
রাজনীতিতে কোয়েল মল্লিকের সুযোগ পাওয়াকে ‘প্যারাশুট ল্যান্ডিং’ হিসেবে বর্ণনা করে রূপাঞ্জনা বলেন, সংসদীয় রাজনীতির মৌলিক অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও যারা সরাসরি শীর্ষ পদে আসেন, তাদের জন্য পথ আগে থেকেই সুগম রাখা হয়।
এর পাশাপাশি টালিউড ইন্ডাস্ট্রিতে শিল্পীদের পারিশ্রমিক বকেয়া থাকা, তোষামোদ সংস্কৃতি ও পারিবারিক সুবিধাপ্রাপ্তি নিয়ে রূপাঞ্জনা তীব্র সমালোচনা করেন। ২০১৯ সালের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, ওই সময় তাকে একঘরে করার চেষ্টা হলেও তিনি সব মনে রেখেছেন এবং রাজনীতির চাকা যে সর্বদা পরিবর্তনশীল, সে কথা মনে করিয়ে দেন।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











