নোবেল পুরস্কার, রসায়ন, আন্তর্জাতিক, ইউরোপ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন
অণুর ‘মিরর ইমেজ’ বা দর্পণ-প্রতিচ্ছবি নিয়ে গবেষণায় যুগান্তকারী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন ফ্রান্স ও জাপানের দুই বিশিষ্ট বিজ্ঞানী। বিজয়ী দুই বিজ্ঞানী হলেন ফ্রান্সের হেনরি কাগান এবং জাপানের কেনসো সোয়াই।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের নাম ঘোষণা করে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
গবেষণার বিষয় ও নোবেল কমিটির মূল্যায়ন
নোবেল জুরি বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘অসমিত জৈব সংশ্লেষণে অরৈখিক প্রভাব ও স্বয়ংক্রিয় অনুঘটক আবিষ্কারের’ জন্য কাগান ও সোয়াইকে যৌথভাবে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
পুরস্কার ঘোষণা উপলক্ষে রসায়ন বিষয়ক নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান হাইনার লিঙ্কে জানান, হেনরি কাগান এবং কেনসো সোয়াই রসায়নের শত বছরেরও বেশি পুরোনো এক জটিল রহস্যের অবসান ঘটিয়েছেন। কীভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ‘হোমোকাইরালিটি’ সৃষ্টি হতে পারে—তা তাঁদের গবেষণায় উন্মোচিত হয়েছে। উদ্ভাবিত রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলোকে তিনি ‘দারুণ চমকপ্রদ’ বলে বর্ণনা করেন।
বিজ্ঞানীদ্বয়ের পরিচয় ও প্রেক্ষাপট
পুরস্কারপ্রাপ্ত ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি কাগান ফ্রান্সের ওরসে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি প্যারিস-সুদের সঙ্গে যুক্ত। অপরদিকে ৯৫ বছর বয়সী জাপানি বিজ্ঞানী কেনসো সোয়াই টোকিও ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্সে গবেষণারত রয়েছেন।
উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে বিপুল পরিমাণ গ্যাস আটকে রাখতে সক্ষম বিশেষ আণবিক কাঠামো উদ্ভাবনের জন্য তিন বিজ্ঞানীকে রসায়নে নোবেল দেওয়া হয়েছিল। ওই উদ্ভাবন বায়ুমণ্ডল থেকে ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাস অপসারণ ও মরুভূমির শুষ্ক বাতাস থেকে আর্দ্রতা সংগ্রহের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছিল।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











