প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদ শূন্য, শিগগিরই নতুন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

০৭ অক্টোবর ২০২৬ - ১৬:০৩
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদ শূন্য, শিগগিরই নতুন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও প্রায় দেড় হাজার প্রার্থী যোগদান না করায় পদ শূন্য রয়ে গেছে। বিদ্যালয়গুলোতে শ্রেণিকক্ষের শিক্ষাদান কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এবং শিক্ষক সংকট দূর করতে দ্রুতই নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

​অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, 'সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২৫'-এর আওতায় নির্বাচিতদের জেলাভিত্তিক নিয়োগের নির্দেশ জারি হয় গত ২৪ সেপ্টেম্বর। নীতি অনুযায়ী চূড়ান্ত তালিকায় থাকা প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর ১৩ হাজার ৭ ৪৮ জনকে চূড়ান্ত নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়। তবে নিয়োগপত্র হাতে পাওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ে কাজে যোগ দেননি ৯১৮ জন প্রার্থী। এছাড়া চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি ৫৫২ জন এবং একজন প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেছেন। ফলে সব মিলিয়ে ১ হাজার ৪৭১টি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়নি। অন্যদিকে, পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়ার পরও ৮৩ জন প্রার্থী শেষ পর্যন্ত নিয়োগপত্র পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

​উল্লেখ্য, পূর্বের নিয়োগ পরীক্ষায় ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছিলেন মোট ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০ জন চাকরিপ্রার্থী। সেই হিসাবে গড়ে প্রতি পদের জন্য লড়াই করেছিলেন প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী। দুই ধাপে আয়োজিত এ নিয়োগের প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ হাজার ২১৯টি পদের বিপরীতে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯ জন প্রার্থী অংশ নেন। দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে পরীক্ষা দেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১ জন। পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬ ৯ হাজার ২৬৫ জনের মধ্য থেকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্তভাবে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।

​এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) আবদুর রহিম জানান, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়াসহ নানা কারণে অনেকে শেষ মুহূর্তে যোগদান করেন না। তবে এত বিশাল সংখ্যক পদ শূন্য থেকে যাওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। ফলে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পাঠদান বজায় রাখতে জরুরি ভিত্তিতে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0