জাতিসংঘের মহাসচিব হওয়ার লড়াইয়ে শীর্ষে রেবেকা গ্রিনস্প্যান

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ১২:২৫
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
জাতিসংঘের মহাসচিব হওয়ার লড়াইয়ে শীর্ষে রেবেকা গ্রিনস্প্যান

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনের লড়াইয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছেন কোস্টারিকার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার (ইউএনসিটিএডি) প্রধান রেবেকা গ্রিনস্প্যান। নিরাপত্তা পরিষদের চতুর্থ দফার অনানুষ্ঠানিক ভোটাভুটিতে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠে এসেছেন।

​চতুর্থ দফার ভোটের হিসাব-নিকাশ

গোপন ব্যালটে অনুষ্ঠিত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন প্রক্রিয়ায় রেবেকা গ্রিনস্প্যানের পক্ষে ১০টি ‘সমর্থনমূলক’ ভোট পড়ে। বিপরীতে তার বিপক্ষে ৩টি ‘নিরুৎসাহিত’ ভোট জমা হয় এবং ২টি সদস্য দেশ কোনো মতামত দেওয়া থেকে বিরত ছিল। এখন পর্যন্ত চার দফার অনানুষ্ঠানিক ভোটের তিনটিতেই প্রথম স্থান ধরে রেখেছেন এই কোস্টারিকান কূটনীতিক।

​অন্যান্য প্রার্থীর অবস্থান

বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দ্বিতীয় মেয়াদের মেয়াদকাল শেষ হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট সাত প্রার্থী, যাদের মধ্যে চারজন নারী ও তিনজন পুরুষ।

​চতুর্থ দফার এই প্রক্রিয়ায় আটটি সমর্থন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিন রড্রিগেস-বিরকেট। এর আগের ভোটে তিনি অল্প ব্যবধানে শীর্ষে উঠে এসেছিলেন। অন্যদিকে জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইএইএ-র প্রধান আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রসি আছেন তৃতীয় স্থানে।

​প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা অপর প্রার্থীরা হলেন— সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল, ইকুয়েডরের ইভোনে এ-বাকি, ইকুয়েডরের মারিয়া ফের্নান্দা এস্পিনোসা এবং উগান্ডার ওলারা ওতুননু।

​নিরাপত্তা পরিষদের নিয়ম ও চূড়ান্ত প্রক্রিয়া

জাতিসংঘের প্রথা অনুযায়ী মহাসচিবের পদটি অঞ্চলভিত্তিতে আবর্তিত হয়ে থাকে। সেই বিচারে এবার লাতিন আমেরিকার কোনো প্রার্থীর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তবে প্রার্থীদের ভাগ্য শেষ পর্যন্ত ঝুলে রয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্যের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স ও রাশিয়া) ভেটো ক্ষমতার ওপর। পাঁচ স্থায়ী সদস্যের যেকোনো একটির আপত্তি থাকলে দৌড় থেকে ছিটকে যেতে পারেন যেকোনো প্রার্থী।

​নিরাপত্তা পরিষদের ১৫টি সদস্যের মধ্যে অন্তত ৯টি দেশের সমর্থন পেতে হবে বিজয়ী প্রার্থীকে। স্থায়ী দেশগুলোর সবুজ সংকেত পাওয়ার পর প্রার্থীর নাম সাধারণ পরিষদে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। বর্তমান সভাপতি ও জাতিসংঘে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জেরোম বনাফোঁ চতুর্থ দফার ভোট সম্পন্ন হওয়ার কথা জানালেও পরবর্তী দফার সময়সূচি প্রকাশ করেননি।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0