জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল বাংলাদেশ, তানজিদ-সৌম্যর দাপুটে ব্যাটিং

১১ জুলাই ২০২৬ - ২১:০৫
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
    জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল বাংলাদেশ, তানজিদ-সৌম্যর দাপুটে ব্যাটিং
শেষ ওয়ান্ডেতে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে স্বস্তির জয় পেলো বাংলাদেশ।

টানা দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ হাতছাড়া হয়েছিল। তবে শেষ ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়িয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা থেকে রক্ষা পেল বাংলাদেশ। হারারেতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে সফরকারীরা। জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে টাইগাররা ৩৬তম ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।

​আগের ম্যাচগুলোর ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে এদিন দারুণ সূচনা করে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতেই স্কোরবোর্ডে ১৫১ রান যোগ করেন সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান। সৌম্য সরকার ৮২ বলে ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬৯ রান করে বিদায় নিলে এই দুর্দান্ত জুটি ভাঙে। এরপর সেঞ্চুরির দিকে এগোতে থাকা তানজিদ হাসান দলের স্কোর যখন ১৯৭ রান, তখন তাড়াহুড়ো করে খেলতে গিয়ে ব্যক্তিগত ৯৪ রানে ক্যাচ দিয়ে বসেন। ১০১ বলের এই চমৎকার ইনিংসে তিনি ৮টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান। তানজিদের বিদায়ের পর তাওহীদ হৃদয় ক্রিজে এসে কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন। শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৮ এবং নুরুল হাসান সোহান শূন্য রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

​জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং বিপর্যয়

​এর আগে, ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। তবে বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকেই তারা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। একপর্যায়ে ১০৮ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে চরম সংকটে পড়ে স্বাগতিকেরা। তবে ওয়েসলি মাধেভেরের দায়িত্বশীল হাফসেঞ্চুরি এবং শেষ দিকে বেন ইভান্সের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।

​মাধেভেরে ৭৪ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৭৫ রানের কার্যকর একটি ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে ব্র্যাড ইভান্স মাত্র ৪৩ বলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ঝড়ো ফিফটি তুলে দলের সংগ্রহকে দুইশর কাছাকাছি নিয়ে যান। এই দুজন ছাড়া জিম্বাবুয়ের বাকি ব্যাটাররা ছিলেন সম্পূর্ণ ব্যর্থ। দলের অন্য ব্যাটাররা মিলে ১৭২ বল খেলে মাত্র ৬১ রান তুলতে সক্ষম হন।

​বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন পেসার শরিফুল ইসলাম। তিনি ৪৪ রান খরচ করে ৪টি উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়া তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম ২টি করে এবং মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ১টি উইকেট নেন।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0